রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
ইরান যুদ্ধের চাপে মার্কিন এয়ারলাইনস স্পিরিট বন্ধ ঘোষণা ‘বোরকা পরে’ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আগুন দেয় পরিচ্ছন্নতাকর্মী: পুলিশ ইরানের নৌশক্তি পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি: স্বীকার করল পেন্টাগন সংসদকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না: প্রধানমন্ত্রী ১৯৭৮ সালে জন্ম নেওয়া বিএনপি কীভাবে ‘মুক্তিযুদ্ধের দল’: সংসদে প্রশ্ন আজহারের ‘শহীদ পরিবারের লোক জামায়াত করতেই পারে না’: ফজলুর বক্তব্যে উত্তপ্ত সংসদ গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তকারীদের প্রশ্রয় না দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজে হামলাকারী ঘোর খ্রিষ্টানবিরোধী: ট্রাম্প ফ্লোরিডায় লিমনের সঙ্গে বৃষ্টিকেও হত্যা পাকিস্তানে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সফর বাতিল: ট্রাম্প

বগুড়ার করতোয়া নদীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু ॥ ১ম দিন ১০টি গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৬৯৬ দেখা হয়েছে
বগুড়ায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহাম্মদ

বাংলা হেডলাইনস বগুড়া: বগুড়ায় করতোয়া নদীর স্রোতধারা ফিরিয়ে আনতে জেলা প্রশাসন পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু করেছে। প্রথমদিন সোমবার দুপুরে ১৬টির মধ্যে ১০টি স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে। করতোয়া রেল ব্রিজের পাশ থেকে উচ্ছেদ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন, জেলা প্রশাসক এবং জেলা পানি সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা কমিটির আহবায়ক ফয়েজ আহাম্মদ।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, দেশের ৬৪ জেলায় নদ-নদী খাল, জলাশয় এবং অন্যান্য সরকারি জলাধারের তীরবর্তী স্থাপনা/দখল উচ্ছেদের অংশ হিসাবে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। তৃতীয় ধাপে বগুড়ার ১৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করা হয়। সোমবার সকালে উচ্ছেদ অভিযান উদ্বোধনের সময় অন্যান্যের মধ্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আব্দুল মালেক, নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) বীর আমীর হামজা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম জানান, সোমবার সকাল থেকে করতোয়া নদীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু হয়। ডায়াবেটিক সমিতি কর্তৃপক্ষ নিজেরা অবৈধ অংশ ভেঙে ফেলে। করতোয়া ব্রিজের পাশে চারটি সেমিপাকা স্থাপনা, কিছু দোকান পাট, গোপিনাথ মন্দিরের সীমানা প্রাচীর, মালতিনগরে ৪টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। একটি ৬তলা ভবন ভাঙার কাজ চলছে। এ ভবনসহ আরও ৬টি স্থাপনে ভাঙতে সময় লাগে। এর মধ্যে একটি চারতলা ও একটি পাঁচতলা ভবন রয়েছে। রাজাবাজারের আড়তদার আব্দুর রহমান রুনু উচ্চ আদালতে রিট করায় তার স্থাপনা ভাঙা সম্ভব হয়নি। মালতিনগরে নদীর জায়গায় নির্মাণ করার মসজিদ স্বেচ্ছায় অন্যত্র সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com