বাংলা হেডলাইনস সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জে হাড় কাঁপানো শীত, হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
এতে যমুনা পাড়ের গরিব ও অসহায় পরিবারের মানুষগুলো শীতে কাঁপছে। সেইসাথে কৃষকরা মাঠে নামতে হিমশিম খাচ্ছে। জেলা উপজেলা শহর এখন জনশূন্য সৃষ্টি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন ধরে সিরাজগঞ্জে প্রচন্ড শীত, ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়া বইছে। রবিবার ভোররাত থেকে এ শীত, হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশার প্রভাব আরো বেড়েছে এবং দিনভর সূর্যের দেখা মেলেনি। এ কারণে শীতে কাঁপছে সিরাজগঞ্জের যমুনা পাড়ের মানুষ। শহর বন্দরের দোকানপাটে কেনাকাটাও কমে গেছে।
মহাসড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ে গেছে গোটা সিরাজগঞ্জ। এই শীতে গরিব ও অসহায় পরিবারের লোকজন মানবেতর জীবনযাপন করছে। এছাড়া কৃষকরা মাঠে নামতেও হিমশিম খাচ্ছে এবং আয় উপার্জনও হ্রাস পেয়েছে। শহর ও গ্রামঞ্চলে আগুনের কুন্ডলি জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করছে বিভিন্ন বয়সের মানুষ। শহর ও গ্রামঞ্চলের হাট-বাজারে শীত নিবারণের পুরাতন কাপড় সংকট ও মূল্য বৃদ্ধি ঘটছে।
এতে অসহায় পরিবারের লোকজন শীত নিবারণে এ কাপড় কিনতে পারছেনা। দুপুরে শহরের বড় বাজার এলাকায় (ফুটপাত) পুরাতন কাপড়ের দোকানদার আলম হোসেনসহ অনেকেই বলেন, কয়েকদিন ধরে প্রচন্ড শীত পড়েছে। সকাল থেকে ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়া বইছে। এতে জনসমাগম কমে যাওয়ায় দোকানে তেমন বেচাকানা হচ্ছে না। বেশিরভাগ পরিবারের মানুষ ঘরে অবস্থান করছেন। শীতে যমুনা নদীর তীরবর্তী ৫টি উপজেলার চরাঞ্চলের গরিব ও অসহায় পরিবারের লোকজনের অবস্থা এখন কাহিল হয়ে পড়েছে। যমুনা বিধৌত চৌহালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার এইচ,এম খোদাদাদ হোসেন বলেন, এ উপজেলার চরাঞ্চলের শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ অব্যাহত রয়েছে এবং শীতার্তদের তালিকা তৈরীর জন্য সংশ্লিষ্ট ইউপি প্রশাসক ও চেয়ারম্যানদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোঃ আমিনুল ইসলাম জানান, ইতিমধ্যেই জেলার ৯টি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সাড়ে ৫ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে এবং পরবর্তী বরাদ্দে এ শীত নিবারণে কম্বল শীতার্তদের মাঝে বিতরণ করা শুরু হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।