রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
ইরান যুদ্ধের চাপে মার্কিন এয়ারলাইনস স্পিরিট বন্ধ ঘোষণা ‘বোরকা পরে’ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আগুন দেয় পরিচ্ছন্নতাকর্মী: পুলিশ ইরানের নৌশক্তি পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি: স্বীকার করল পেন্টাগন সংসদকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না: প্রধানমন্ত্রী ১৯৭৮ সালে জন্ম নেওয়া বিএনপি কীভাবে ‘মুক্তিযুদ্ধের দল’: সংসদে প্রশ্ন আজহারের ‘শহীদ পরিবারের লোক জামায়াত করতেই পারে না’: ফজলুর বক্তব্যে উত্তপ্ত সংসদ গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তকারীদের প্রশ্রয় না দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজে হামলাকারী ঘোর খ্রিষ্টানবিরোধী: ট্রাম্প ফ্লোরিডায় লিমনের সঙ্গে বৃষ্টিকেও হত্যা পাকিস্তানে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সফর বাতিল: ট্রাম্প

বঙ্গবন্ধু ২৬ মার্চ ইপিআরের মাধ্যমে স্বাধীনতা ঘোষণা দেন: বগুড়ায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৭২৫ দেখা হয়েছে

 

বাংলা হেডলাইনস বগুড়া: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এমপি বলেছেন, বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের  ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে ইপিআরের মাধ্যমে স্বাধীনতা ঘোষণা দেন।

মন্ত্রী বলেন বঙ্গবন্ধু দীর্ঘ ২৪ বছর আন্দোলন-সংগ্রাম করে দেশকে স্বাধীনতার ঘোষণার জন্য  প্রস্তুত করেছিলেন। ৭ মার্চের ভাষণে সরাসরি স্বাধীনতা ঘোষণা দিলে বিশ্ববাসী তাঁকে দোষারোপ করতেন। তারা বলতেন ইয়াহিয়া খান সংসদে বসতে দিচ্ছেন না বলেই তিনি (বঙ্গবন্ধু) এমনটা করছেন। তাই তিনি কৌশলে সেদিন স্বাধীতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। আর তিনি ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে ইপিআরের মাধ্যমে স্বাধীনতা ঘোষণা দেন। অথচ যারা জেগে থেকে ঘুমায় তারা অন্যজনকে কৃতিত্ব দেন।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হক  বুধবার বিকালে বগুড়া শহরের নিশিন্দারা কারবালা এলাকায় বগুড়া সদর, আদমদীঘি ও গাবতলী উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের উদ্বোধনের পর সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই  কথা বলেন।

তিনি বলেন জেড ফোর্সের অধিনায়ক জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধ করলেও এর চেতনার সাথে থাকেননি। তিনি বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিদের বিভিন্ন দেশে বড় বড় পদে অধিষ্ঠিত করেছিলেন। একটা গরু চোর মরলেও তার হত্যার বিচার হবে কিন্তু জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে হত্যার বিচার বন্ধে ইনডেমনিটি অ্যাক্ট করেছিলেন। জিয়া নিষিদ্ধ জামায়াতে ইসলামীকে রাজনীতি করার সুযোগ ও গোলাম আজমের নাগরিকত্ব ফিরিয়ে দেন। তিনি স্বাধীনতা বিরোধী শাহ আজিজ, আবদুল আলিমসহ রাজাকারদের মন্ত্রী করেছিলেন। এতে বুঝতে হবে তিনি (জিয়া) কোন পক্ষে ছিলেন।

তিনি বলেন, নতুন প্রজন্ম জানেনা পাকিস্তানি হানাদাররা এদেশের মানুষের ওপর কি নির্যাতন করেছিল। পাঠ্য পুস্তকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে পুরোপুরি তথ্য নেই। তাই এতে শুধু মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাঁথা লিপিবদ্ধ নয়; পাকহানাদার ও তাদের দোসর রাজাকারদের কথাও লেখা হবে। তাহলে পরবর্তী প্রজন্ম বুঝতে পারবেন কার কেমন ভুমিকা ছিল।

মন্ত্রী বলেন, আগামী জুলাই থেকে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা ১৫ হাজার, ২০২০ সালে প্রথম পর্যায়ে ১৪ হাজার অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাকে এক হাজার বর্গফুটের বাড়ি নির্মাণ করে দেয়া হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, বগুড়ার তালিকায় কোন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা ও ভুয়া বীরঙ্গনা থাকলে যাচাইয়ের মাধ্যমে তা বাতিল করা হবে। ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধাদের পরিচয়পত্র দেয়া সম্ভব হয়নি; তবে জানুয়ারিতে অবশ্যই দেয়া হবে।

বগুড়া জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহাম্মদের সভাপতিত্বে সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আবদুল হাকিম। অন্যান্যের মধ্যে বগুড়া-৭ (গাবতলী-

শাজাহানপুর) আসনের এমপি রেজাউল করিম বাবলু ওরফে শওকত হোসেন গোলবাগী, সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সনাতন চক্রবর্তী, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ডা. মকবুল হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু, সহ-সভাপতি টি. জামান নিকেতা, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার রুহুল আমিন বাবলু প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com