বাংলা হেডলাইনস টাঙ্গাইল: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালন উপলক্ষে সাধারণ গ্রন্থাগারের আয়োজনে স্থানীয় শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে তিন দিনব্যাপি ৫ম বাংলা কবিতা উৎসব শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার শুরু হওয়া এই উৎসবে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের চার শতাধিক কবি যোগ দিয়েছেন ।এ ছাড়াও উৎসবে যোগ দিয়েছেন প্রতিরেশী দেশ ভারতের ৬০ জন কবি। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও এ উৎসবে ভারতের অন্য রাজ্যের কবিরাও যোগ দিয়েছেন ।
সকালে স্থানীয় শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তপক অর্পণের মধ্য দিয়ে উৎসবের উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের কবি-লেখকদের অংশগ্রহণের এই কবিতা উৎসবের মধ্যদিয়ে দুই দেশের সাংস্কতিক আদান-প্রদান আরো বিকশিত হবে। প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী টাঙ্গাইল জেলাকে সাংস্কৃতিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য আমরা কাজ শুরু করেছি।
টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক মো.শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শফিকুল ইসলাম, ভারতীয় কবি অমৃত মাইতি, মৃণাল বসু চৌধুরী, কমল চক্রবর্তী, সুখমার বাগচি, শ্যামল ক্রান্তি দাস, শংকট চক্রবর্তী, বাংলাদেশের কবি আল মুজাহিদী, আলী ইমাম, বুলবুল খান মাহবুব, জাহিদুল হক, মাহবুব সাদিক ও মাকিদ হায়দার।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে মধ্যাহ্ন বিরতির পর বিকেলে দ্বিতীয় অধিবেশনে চলবে কবিতা পাঠ।
কবি মাহমুদ কামাল জানান, উৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। কবিধাম হিসেবে পরিচিত টাঙ্গাইলে বাংলাদেশ ও ভারতের কবিদের অংশ গ্রহণে এ উৎসব বর্ণাঢ্য হয়ে উঠবে বলে জানান তিনি।
ভারতে কবি অমৃত মাইতি জানান, এর আগে চারবার টাঙ্গাইলে অনুষ্ঠিত বাংলা কবিতা উৎসবে যোগ দিয়েছেন। বাংলাদেশের মানুষ বাংলা ভাষার জন্য বুকের রক্ত দিয়েছেন। রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছেন। তাই বাংলাদেশ প্রতিটি বাঙ্গালীর তীর্থক্ষেত্র।
দিল্লিতে বসবাসরত আরেক ভারতীয় কবি শবরী রায় জানান, বাংলাদেশের এ অঞ্চলের মানুষের কবিতার প্রতি যে ভালবাসা তা সত্যিই অতুলনীয় ।এখানে আসলেই মনটা ভাল হয়ে যায়। বাংলাদেশই বিশ্বে বাংলা ভাষাকে বাঁচিয়ে রেখেছে। এই উৎসব বাংলা ভাষার বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে।