বাংলা হেডলাইনস সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার সমেশপুর বাজার এলাকায় অনুমোদন বিহীন যমুনা ডায়াগস্টিক সেন্টার এন্ড হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়ার পরেও চিকিৎসা সেবা চলছেই। এ অবৈধ চিকিৎসা সেবায় সাধারণ মানুষ প্রতারণার শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে প্রকাশ, উক্ত হাসপাতালের কোনো অনুমোদন নেই, নেই ডাক্তার কিংবা প্রশিক্ষিত নার্স। এমনকি প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষার রিপোর্টও দেয়া হয় চিকিৎসকের স্বাক্ষর নকল করে। এছাড়াও ওই হাসপাতালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই অদক্ষ অপারেটর দিয়ে এক্স-রে মেশিন, ইসিজি, আল্ট্রাস্নোগ্রাফী ইত্যাদি চালানো হচ্ছে। আর এসব অনুমোদনবিহীন হাসপাতাল প্রায়ই ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু হচ্ছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার মান নিয়ে সাধারন মানুষের মনে অভিযোগ উঠছে হরহামেশায়। সংশ্লিষ্ট বিভাগের নজরদারির অভাবকে দুষছেন ভুক্তভোগীরা। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা সেবার নামে এমন প্রতারণার বাণিজ্য চলছে। এখানে শুধু প্রতারণাই নয় চলে রোগীদের জীবন নিয়ে খেলাও। স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে অনুমোদন নিয়ে হাসপাতালের কার্যক্রম পরিচালনার বিধান থাকলেও তা তোয়াক্কা করছেনা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় অনেকেই বলছেন, অনুমোদনবিহীন ওই হাসপাতালে কতিপয় চিকিৎসক চিকিৎসা দিতে যাওয়া ঠিক নয়। অবৈধ কিংবা মানহীন ক্লিনিকগুলোকে শুধুমাত্র জরিমানা করে ছেড়ে দেয়া হয়। এমন অবৈধ হাসপাতাল ও ডায়গস্টিক সেন্টারগুলো জরুরী ভিত্তিতে বন্ধ করে দেয়া আশু প্রয়োজন। এ বিষয়ে ওই হাসপাতাল প্রতিষ্ঠানের পার্টনার স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সোনিয়া সবুর বলেন, সরকারি অনুমোদন না থাকাই ওই হাসপাতাল প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা: মো: জাহেদুল ইসলাম বলেন, অনুমোদন বিহীন যমুনা ডায়াগস্টিক সেন্টার এন্ড হাসপাতালের কার্যক্রম কয়েকদিন আগেই বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এরপরেও ওই চিকিৎসা সেবা দিলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।