বাংলা হেডলাইনসঃ সরকার যানজট নিরসনে রাজধানী ঢাকায় কয়েকটি রুটে পাতাল ট্রেন চালু করতে মঙ্গলবার প্রায় ৯৪ হাজার কোটি টাকার দুটি প্রকল্প অনুমোদন করেছে।
একনেকের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিলের নির্বাহী কমিটির (একনেক) এক সভায় এই অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, যানজট নিরসনে আনুমানিক ৯৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে মাস্ র্যাপিড ট্রান্সপোর্ট (এমআরটি) লাইন ১ ও ৫ বাস্তবায়ন করা হবে।
এমআরটি লাইন-১’ হবে ৩১.২৪ কিলোমিটার। এর মধ্যে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত প্রায় ১৬.২১ কিলোমিটার হবে আন্ডারগ্রাউন্ড। আর কুড়িল থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত প্রায় ১১.৩৬ কিলোমিটার হবে এলিভেটেট। এছাড়াও নতুন বাজার থেকে কুড়িল পর্যন্ত ৩.৬৫ কিলোমিটার আন্ডারগ্রাউন্ড ট্রানজিশন লাইন থাকবে।
এমআরটি লাইন-৫ উত্তর ও দক্ষিণ দু’টি রুটে বিভক্ত। উত্তরের রুটের দৈর্ঘ্য ২০ কিলোমিটার যার মধ্যে ৬.৫০ কিলোমিটার হেমায়েতপুর থেকে আমিনবাজার পর্যন্ত হবে এবং আমিনবাজার থেকে ভাটারা পর্যন্ত ১৩.৫০ কিলোমিটার আন্ডারগ্রাউন্ড হবে। এমআরটি লাইন-৫ হেমায়েতপুর থেকে শুরু হয়ে আমিনবাজার, গাবতলী, মিরপুর-১, মিরপুর-১০, কচুক্ষেত, বনানী, গুলশান-১ এবং নতুনবাজার হয়ে ভাটারা গিয়ে শেষ হবে।
জানা গেছে এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এবং এমআরটি লাইন-৫ প্রকল্পটি ২০২৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ হবে ।
দু’টি প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে ২৫ হাজার ২৩২.৬০ কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে আসবে এবং জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)-র কাছ থেকে প্রকল্প সহায়তা হিসেবে ৬৮ হাজার ৫৬৭.৩২ কোটি টাকা পাওয়া যাবে। ঢাকা মাস্ ট্রানজিট সংস্থা লিমিটেড দু’টি প্রকল্পই বাস্তবায়ন করবে।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, একনেক বৈঠকে জানানো হয়েছে যে, দুটি মেট্রো লাইন প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়সীমা ও আনুমানিক ব্যয়ের মধ্যে শেষ করা হবে।