বাংলা হেডলাইনসঃ চাঞ্চল্যকর ধানমণ্ডির জোড়া খুনের সাথে জড়িত সন্দেহভাজন গৃহকর্মীকে খুনের একদিন পর রোববার আটক করায় হত্যাকাণ্ডের রহস্য খুলেত শুরু করেছে।
পুলিশ সন্দেহভাজন পলাতক গৃহকর্মী সুরভি আক্তার নাহিদকে রোববার রাতে রাজধানী থেকে গ্রেফতার করে।
ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, কৃষ্ণপদ রায় সোমবার সাংবাদিকদের জানান যে সন্দেহভাজন কাজের মেয়ে যে নতুন যুক্ত হয়েছিল তাদের (নিহত গৃহকর্ত্রীর) বাড়িতে তার সন্ধানে আমরা ব্যাস্ত হয়ে পড়ি। ৩ তারিখ (নভেম্বর) সন্ধ্যায় আমরা তাকে ধরতে সক্ষম হই।
তিনি বলেন আমরা জিজ্ঞসাবাদ করছি এবং তার সম্পৃক্ততা আছে বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়। তবে এই ঘটনায় আর কারা জড়িত ছিল এবং কিভাবে ঘটনাটি ঘটেছে, ঘটনার মোটিভ কি ছিল সে ব্যাপারে আমরা কাজ করছি।
কৃষ্ণপদ রায় বলেন রাতে (সোমবার) আমরা আরও কয়েকটি জায়গায় অভিযান করবো। পরবর্তীতে আরও ডিটেইল আপনাদের বলতে পারবো বলে আমরা আশা করছি।
পুলিশ রোববার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে ঢাকার শেরে বাংলা নগর এলাকা থেকে সুরভিকে আটক করে । সুরভিকে ধানমণ্ডি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
সিসিটিভি ফুটেজ দেখে বিস্লেশন করে সুরভিকে আটক করা হয়েছে।
গত শুক্রবার রাতে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি বাসা থেকে গৃহকর্ত্রী আফরোজা বেগম (৬০) ও গৃহকর্মী দিতির (১৮) গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
পারিবারিক সুত্রে জানা যায় ঘটনার দিন দুপুরে আফরোজা বেগমের বাসায় দীর্ঘ দিন যাবত ধরে থাকা কাজের লোক বাচ্ছু এক নারী গৃহকর্মী ( সুরভি ) হিসেবে ওই বাসায় কাজ নিয়োগ দিতে নিয়ে আসে। ঘটনার পর থেকে সে (সুরভি) পলাতক ছিল।
বাচ্চুকে প্রধান আসামি করে পাঁচ জনের নামে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার আসামিরা হলেন- আতিকুল হক বাচ্চু, বাড়ির সিকিউরিটি গার্ড নুরুজ্জামান, কেয়ারটেকার বেলাল, প্রিন্স এবং অজ্ঞাতপরিচয় একজন নারী (সুরুভি) । পাঁচ জনকেই এখন পুলিশ হেফাজতে, বলে জানা গেছে।