শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
‘প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশ থেকে প্রতিনিধি পাঠানোর সুযোগ নেই’ এসআরবি বিল পাস, বিলুপ্ত র‍্যাব দুদকের অনুসন্ধান নিয়ে প্রশ্ন আসিফ মাহমুদের শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে সরকারের কোনো দ্বিধা নেই:উপদেষ্টা জাহেদ ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানের আহ্বান রাষ্ট্রপতির সাইফুর রহমানের মৃত্যুতে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন রিজভী ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : নির্বাচন কমিশনার সংঘাত এড়িয়ে সমঝোতার রাজনীতির আহ্বান রাষ্ট্রপতির সংকটে কিছু রাজনৈতিক দল অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী প্রস্তুত থাকুন, বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক আসবে: জামায়াত আমির

মির্জাপুরে শৈতপ্রবাহ ও অসময়ের বৃষ্টিতে সরিষা আবাদে শঙ্কা

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৬৪১ দেখা হয়েছে

বাংলা হেডলাইনস টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে সরিষা আবাদ নিয়ে শঙ্কার মধ্যে রয়েছেন কৃষক। প্রায় সপ্তাহ জুড়ে শৈত্যপ্রবাহ, কুয়াশা ও সূর্য্য না উঠা এবং অসময়ের বৃষ্টিতে অত্র এলাকার কৃষক তাদের দ্বিতীয় প্রধান অর্থকরী ফসল সরিষা আবাদ নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন বলে বিভিন্ন স্থানে সরেজমিনে গিয়ে এবং খোঁজ নিয়ে জানা গেছে।

এদিকে প্রকৃতির এই বৈরী প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হলে পরাগায়ন ব্যাহত হয়ে ফলন কমে যেতে পারে বলে স্থানীয় কৃষি অফিস সূত্র জানিয়েছে। স্থানীয় কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর মির্জাপুর উপজেলায় ৮ হাজার ৯শ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে উফশী জাতের ৪ হাজার হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ৪ হাজার ৯শ হেক্টর। অর্জিত হয়েছে ৮ হাজার ৫শ হেক্টর। বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে ৪শ হেক্টর জমিতে আবাদ কম হয়েছে।

অত্র অঞ্চলের কৃষকের দ্বিতীয় প্রধান অর্থকরী ফসল হলো সরিষা। কৃষক সাধারণত এই রবি ফসল সরিষা  বিক্রি করে তাদের প্রধান ফসল বোরো আবাদ করে থাকেন। অন্য বছরের ন্যায় এবছরও সরিষার আবাদ ভাল হয়েছে। কিন্তু টানা প্রায় সপ্তাহব্যাপী শৈত্যপ্রবাহ, ঘন কুয়াশা ও সূর্য্য না উঠা এবং বৃহস্পতিবারের অসময়ের বৃষ্টিতে সরিষার ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।

প্রচন্ড ঠান্ডা ও কুয়াশার কারণে জমিতে মধু আহরণকারী মৌমাছি বা কোন প্রকার পতঙ্গ আসতে পারছে না বিধায় ফুলে পরাগায়ন মারাত্বকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। শুধু তাই নয়, ঠান্ডা ঘন কুয়াশা এবং সূর্যালোক না থাকায় পাঁপড়ি পচে ঝড়ে যাচ্ছে। তার উপর আবার বৃষ্টিতে অবস্থা আরো খারাপ আকার ধারন করেছে।

সদরের পুষ্টকামুরী গ্রামের কৃষক মো. আলমগীর হোসেন বলেন টানা এক সপ্তাহ শৈতপ্রবাহের কারণে এমনিতেই সরিষার আবাদ নিয়ে চিন্তিত ছিলাম, তারপর অসময়ের বৃষ্টিতে সরিষার আবাদ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে।

মির্জাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমান বলেন, এই বৈরী আবহাওয়ার জন্য উফশী জাতের সরিষার পরাগায়নে সমস্যা না হলেও স্থানীয় জাতের সরিষার পরাগায়ন ব্যাহত হবে এবং গাছের ফল ছোট হবে। আর অসময়ের বৃষ্টিতে স্থানীয় জাতের সরিষা গাছ শুয়ে পড়বে। এতে ফলন কমে যেতে পারে বলে তিনি জানান।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com