বাংলা হেডলাইনস টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইলে এসএসসি পরীক্ষার প্রথমদিন সোমবার সকালে বাংলা প্রথম পত্রে শহরের একটি কেন্দ্রে ভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ঘটনায় পরীক্ষার্থী ও অভিভাবক মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
টাঙ্গাইল শহরের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে।
পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, টাঙ্গাইলের সকল কেন্দ্রে বাংলা প্রথম পত্র সৃজনশীল পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ৩ (সোয়াত) নম্বর সেটে অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু ব্যতিক্রম ঘটে বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে। এ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীরা ১ (কাশ্মীর) নম্বর সেটে পরীক্ষা নেয়া হয়েছে।
তাদের অভিযোগ অপেক্ষাকৃত কঠিক প্রশ্ন পত্রে তাদের পরীক্ষা দিতে হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, এসএসসি পরীক্ষার মত এত বড় পরীক্ষা কি হেলাফেলার বিষয়? ওই কেন্দ্রের ২০৯ নম্বর হলের পরীক্ষার্থী আল আমিন বলেন, পুরো টাঙ্গাইলে এক প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হয়েছে। অথচ বিন্দুবাসিনী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে আমরা আলাদা প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়েছি। এটা মানা যায় না।

ভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেয়ার ঘটনায় অভিভাবকরাও ক্ষুব্ধ হয়েছেন।অভিভাবক সালামা আক্তার বলেন, ওই স্কুল কর্তৃপক্ষ দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছেন। জীবনের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা এটা। এখানে এরকম ভুল মেনে নেয়া যায় না। এ নিয়ে বাচ্চারা মানসিক অশান্তিতে থাকবে।
এ ব্যাপারে কেন্দ্র সচিব আব্দুল করিম মিয়া জানান, বোর্ডের মেসেজ পেয়ে সেটি সংশ্লিষ্ট সবাইকে পাঠানো হয়। কিন্তু ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মেসেজ ভুল দেখেছেন। তিনি ৩ নম্বর সেটের পরিবর্তে ১ নম্বর সেট দিয়ে পরীক্ষা নিয়েছেন। পরীক্ষা শেষে বিষয়টি ধরা পড়েছে। ওই কেন্দ্রে মোট পরীক্ষা হচ্ছে ৯০৭ জন ও জেলায় মোট ৫৪৫৪৮ জন।
তিনি বলেন, বোর্ডের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা এই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দেয়া খাতাগুলো আলাদা করে নিরাপদ হেফাজতে রেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ বোর্ডে পৌঁছে দিতে। এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের চিন্তার কোন কারণ নেই।
অভিযোগ প্রসঙ্গে বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নিগার সুলতানা বলেন, ভুল করে সেট পরিবর্তন হয়েছে। পরীক্ষা শেষে এটা ধরা পড়েছে। বোর্ডের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা বলেছেন, ওই (এক নম্বর) প্রশ্নপত্রেই খাতা দেখা হবে। এতে পরীক্ষার্থীদের খাতায় কোন প্রভাব পড়বে না।