বাংলা হেডলাইনস বগুড়া : বগুড়ায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে শনিবার বিকাল পর্যন্ত এক নারীসহ আরো পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।
কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন বগুড়া শাখার স্বেচ্ছাসেবীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে লাশ প্রস্তুত, জানাযা ও স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করেছেন।
টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ (টিএমসি) ও রফাতউল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালের সহকারী নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রহিম জানান, শহরের ফুলবাড়ি এলাকার পল্লী চিকিৎসক নুরুল মোমিন বেলাল (৬৫) এক সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন উপসর্গে ভুগছিলেন। গত ১৫ জুন তিনি এ হাসপাতালে নমুনা দিলে করোনাভাইরাস পজিটিভ হন।
বৃহস্পতিবার রাতে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার সকালে তিনি মারা যান।
ওই কর্মকর্তা আরো জানান, করোনা আক্রান্ত দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার ওসমানপুরের হিওড়া এলাকার ব্যবসায়ী আল ইমরান সরকারকে (৪৩) শুক্রবার রাত পৌণে ৮টার দিকে হাসপাতালের আইসিইউতে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
বগুড়া শজিমেক হাসপাতালের সহকারি পরিচালক (প্রশাসন) ডা. আবদুল ওয়াদুদ জানান, গাবতলী উপজেলার কাগইল ইউনিয়নের দেওয়ানপুর গ্রামের কৃষক জালাল উদ্দিন (৫৫) শুক্রবার রাত ৮টার দিকে এ হাসপাতালে মারা গেছেন। নমুনা পরীক্ষার পর শুক্রবার পাওয়া রিপোর্টে তিনি করোনা শনাক্ত হয়।
বগুড়া শহরের কাটনারপাড়া এলাকায় ভাড়া বাড়িতে বসবাসকারী আইনজীবী সহকারী নুরুল ইসলাম (৫৩) করোনায় আক্রান্ত হয়ে বাড়িতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে তাকে মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল আইসোলেশনে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক দেখার পর টিএমসি ও রফাতউল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। তাকে অ্যাম্বুলেন্সে ওই হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান।
বগুড়া সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সামির হোসেন মিশু জানান, শনিবার বিকাল পৌণে ৪টার দিকে শহরের সুত্রাপুর রিয়াজ কাজী লেনের বাড়িতে করোনা আক্রান্ত আরেফা বেওয়া (৯৫) নামে এক বৃদ্ধা মারা গেছেন।
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কায়ান্টাম ফাউন্ডেশন বগুড়া শাখার অর্গানাইজার প্রকৌশলী মিজানুর রহমান জানান, শুক্রবার রাত থেকে শনিবার বিকাল পর্যন্ত করোনাভাইরাস ও উপসর্গ নিয়ে মৃত ছয়জনকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে জানাযা এবং নিজ নিজ এলাকার গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে।