শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১১ অপরাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার: চিফ হুইপ ‘প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশ থেকে প্রতিনিধি পাঠানোর সুযোগ নেই’ এসআরবি বিল পাস, বিলুপ্ত র‍্যাব দুদকের অনুসন্ধান নিয়ে প্রশ্ন আসিফ মাহমুদের শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে সরকারের কোনো দ্বিধা নেই:উপদেষ্টা জাহেদ ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানের আহ্বান রাষ্ট্রপতির সাইফুর রহমানের মৃত্যুতে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন রিজভী ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : নির্বাচন কমিশনার সংঘাত এড়িয়ে সমঝোতার রাজনীতির আহ্বান রাষ্ট্রপতির সংকটে কিছু রাজনৈতিক দল অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী

নওগাঁয় ড্রাগন চাষে আগ্রহ বাড়ছে

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২০
  • ১০২৯ দেখা হয়েছে

বাংলা হেডলাইনস নওগাঁ : অধিক পুষ্টিগুণ সম্পন্ন বিদেশি  ফল ড্রাগন।

বর্তমানে নওগাঁর রাণীনগরে বিভিন্ন বাগানে উৎপাদিত ড্রাগন ফল দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চালান হচ্ছে। তাই দিন দিন অত্যন্ত লাভজনক এই বিদেশি ফলের বাগানের পরিসর বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

মুখরোচক, রসালো, ক্যান্সার ও ডায়াবেটিকসহ বিভিন্ন রোগের উপকারি ড্রাগন ফল চাষে ঝুঁকছেন উপজেলার কৃষকরা।

বর্তমানে ভিয়েতনাম, থাইলান্ড ও ইন্দোনেশিয়ায় দেশের এই ফল অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রধান খাবারের অংশে স্থান করে নিয়েছে। যে কেউ এই ফলের বাগান তৈরি করতে পারেন।

বাংলাদেশে এই বিদেশি ফল চাষে উজ্জ্বল সম্ভাবনা দেখছে কৃষি বিভাগ। একটি ড্রাগন ফলের গাছ ২৫ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকে এবং বছরে ৬ মাস ফল দেয়।

সাধারণত মে মাসে গাছে ফুল আসে এবং ফুল আসার ৩৫ দিনের মধ্যেই এই ফল খাওয়ার উপযোগি হয়। উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে এই ফল বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করাও সম্ভব।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় দিন দিন এই বিদেশি ড্রাগন ফল চাষের পরিধি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বর্তমানে উপজেলার সাড়ে ৪ হেক্টর জমিতে ড্রাগন ফলের বাগান তৈরি করা হয়েছে। আগ্রহী কৃষকদের কৃষি অফিস ড্রাগনের চারা থেকে শুরু করে সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে আসছে।

জমিতে বার বার একই ফসল চাষ করার অভ্যাস থেকে কৃষকদের ফিরিয়ে এনে অধিক লাভজনক ফসল চাষে উদ্বুদ্ধ করতে কৃষি অফিস কাজ করে আসছে। এই ফসলগুলো চাষ করলে একদিকে কৃষকরা যেমন কম খরচে ও কম পরিশ্রমে অধিক লাভ করতে পারেন, অপরদিকে জমির উর্বরতা শক্তিও বৃদ্ধি পায়।

উপজেলার কালিগ্রাম ইউনিয়নের রঞ্জনিয়া গ্রামের তরুণ উদ্যোক্তা নাইস জানান, পড়ালেখা শেষ করে চাকরি নামক সোনার হরিণের পেছনে না দৌড়ে নিজেই কিছু করার প্রত্যয় থেকে আজ আমি প্রায় ৯ বিঘা জমিতে ড্রাগন ফলের বাগান তৈরি করেছি।

ড্রাগন চাষ করে আমি বর্তমানে অনেক লাভবান হয়েছি। অনেক মানুষ আজ আমার বাগানে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছে।

তবে দেশে ড্রাগন ফলের বাজার এখনোও সেভাবে গড়ে ওঠেনি। তবে সরকার যদি এই ফলটি বিদেশে রপ্তানি করার পদক্ষেপ নেয়  তাহলে আগামীতে ড্রাগন ফল চাষীরা আরো অনেক লাভবান হবেন।

 বর্তমানে প্রতি কেজি ড্রাগন ৪০০-৪৫০টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আগামীতে আমি এই বাগানের পরিসর আরো বৃদ্ধি করবো।  

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম জানান, ২০১২ সাল থেকে উপজেলাতে ড্রাগন ফল চাষের  নীরব বিপ্লব শুরু হয়।

এখন ড্রাগন উপজেলার কৃষকদের কাছে একটি লাভজনক ফলের নাম। প্রতিদিনই কৃষকরা কৃষি অফিসে এসে ড্রাগন ফল সম্পর্কে জেনে যাচ্ছেন। এছাড়াও এই বাগান তৈরিতে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে চারা সরবরাহ থেকে শুরু করে সরকারিভাবে সার্বিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

এছাড়াও বাগান মালিকদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ প্রদান ও খোঁজখবর রাখছি। আশা রাখি একদিন দেশের মধ্যে রাণীনগর উপজেলা ড্রাগন ফল চাষে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com