বাংলা হেডলাইনস বগুড়া : বগুড়ার শাজাহানপুরে দুর্বৃত্তরা বাড়িতে ঢুকে চুরি করতে ব্যর্থ হয়ে শিপন মিয়া (২৮) নামে এক যুবককে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে।
এর আগে শিপন ও তার চাচী আম্বিয়া বেওয়াকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা হয়েছিল। শুক্রবার রাতে উপজেলার গোহাইল ইউনিয়নের আতাইল গ্রামে এ ঘটনায় দুর্বৃত্তরা বিধবার মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে।
শনিবার বিকাল পর্যন্ত মামলা হয়নি; পুলিশ কাউকে গ্রেফতারও করতে পারেনি।
পুলিশ ও এলাকাবাসীরা জানান, কিছুটা মানসিক প্রতিবন্ধী শিপন মিয়া আতাইল গ্রামের দিলবর হোসেনের ছেলে। শিপন আতাইল বাজারের বিভিন্ন দোকানে পানি সরবরাহ ও কাজ করতো।
চাচা মৃত আবদুর রশিদ ড্রাইভারের তিন সন্তান অন্যত্র থাকেন। তাই শিপন মিয়া মাঝে মাঝে তার চাচী আম্বিয়া বেওয়ার বাড়িতে থাকতেন। আম্বিয়া বেওয়া কয়েকদিন আগে ৪৫ হাজার টাকায় কিছু গাছ বিক্রি করেন।
শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনজন দুর্বৃত্ত ওই বাড়িতে ঢোকে। তারা শিপন ও চাচী আম্বিয়ার হাত-পা ও মুখ বেঁধে তাদের বিছানায় কাথা দিয়ে ঢেকে দেয়। এ সময় শিপন চিৎকার শুরু করলে দুর্বৃত্তরা তার মুখের মধ্যে কাপড় গুঁজে দেয়। এতে শ্বাসরোধ হয়ে শিপন মৃত্যুবরণ করে। দুর্বৃত্তরা আম্বিয়ার মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে শাজাহানপুর থানা পুলিশ শিপনের লাশ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
আম্বিয়া বেওয়ার ধারনা, ঘাতকরা তাদের গ্রামের। গাছ বিক্রির টাকা নিতেই বাড়িতে ঢুকেছিল। শিপন চিৎকার করায় তাকে হত্যা করেছে।
শাজাহানপুর থানার ওসি আজিম উদ্দিন জানান, শনিবার বিকাল পর্যন্ত মামলা হয়নি। হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।