শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২৪ অপরাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
‘প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশ থেকে প্রতিনিধি পাঠানোর সুযোগ নেই’ এসআরবি বিল পাস, বিলুপ্ত র‍্যাব দুদকের অনুসন্ধান নিয়ে প্রশ্ন আসিফ মাহমুদের শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে সরকারের কোনো দ্বিধা নেই:উপদেষ্টা জাহেদ ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানের আহ্বান রাষ্ট্রপতির সাইফুর রহমানের মৃত্যুতে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন রিজভী ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : নির্বাচন কমিশনার সংঘাত এড়িয়ে সমঝোতার রাজনীতির আহ্বান রাষ্ট্রপতির সংকটে কিছু রাজনৈতিক দল অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী প্রস্তুত থাকুন, বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক আসবে: জামায়াত আমির

কুড়িগ্রামে প্রচন্ড শীত ।। বোরো বীজতলা নষ্ট হওয়ার উপক্রম

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১ জানুয়ারী, ২০২১
  • ২৮৬ দেখা হয়েছে

বাংলা হেডলাইনস  কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:  কুড়িগ্রামের কনকনে ঠান্ডায় জনজীবন  বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

ব্রহ্মপূত্র ও তিস্তা নদী অববাহিকার ছিন্নমূল হত-দরিদ্র মানুষজন শীতবস্ত্রের অভাবে কষ্টে দিন কাটাচ্ছে।

এদিকে, চলতি বোরো মৌসুমের বীজতলা চারাগাছ নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। শুক্রবার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ২ ডিগ্রী সেলসিয়াস।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মঞ্জুরুল হক জানান, চলতি বোরো মৌসুমে প্রায় ১লাখ ১২হাজার ১৫হেক্টর জমিতে চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ জন্য ৬ হাজার হেক্টর জমিতে কৃষকরা বীজতলা তৈরি করেছে।

এরমধ্যে হাইব্রিড জাতের ১হাজার ৪৫ হেক্টর, উপসী জাতের ৩ হাজার৮ শত ৬৬ হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ১শ ৯০ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি করা হয়েছে।

বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অনেক বীজতলার চারাগাছ অতিরিক্ত ঠান্ডা ও শৈত্য প্রবাহের কারণে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

উলিপুরের ধামশ্রেনী ইউনিয়নের কৃষক মজিবর রহমান জানান, শীতে অর্ধেক বীজ জন্মায়নি। এছাড়াও বীজতলার চারা গাছ শীতের কারণে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

বিশেষ করে ব্রহ্মপূত্র ও তিস্তা নদী অববাহিকার বেশির ভাগ বীজতলা শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মঞ্জুরুল হক আরও জানান, বোরো বীজতলা রক্ষায় কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে। তবে চলতি বোরো মৌসুমে চাহিদার চেয়ে বেশি বীজ তলা তৈরি করায় বীজ চারা সংকটের কোন সম্ভবনা নেই।

এদিকে, দিনের বেশিরভাগ সময় সূর্যের দেখা মিলছে না। সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে শীতের তীব্রতা বেড়ে যায়। রাতে কুয়াশায় ঢেকে যায় জনপদ।

স্থানীয় আবহাওয়া অফিস বলছে, শুক্রবার সকালে এ অঞ্চলে ৯ দশমিক২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। সেই সাথে কয়েকদিন ধরে এ জেলায় উত্তরের হিমেল হাওয়া বইছে,  যা চলতি সপ্তাহ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com