বাংলা হেডলাইনস কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের রৌমারীতে বালু ব্যবসায়ী চক্র ব্রহ্মপুত্র নদসহ উপজেলার বিভিন্ন ছোট নদী থেকে অবৈধভাবে ড্রেজারে বালু উত্তোলনের মহোৎসব চালাচ্ছেন একটি প্রভাবশালী মহল।
হুমকির মুখে সরকারের ৩৭৯ কোটি টাকার তীর সংরক্ষণ প্রকল্প। প্রশাসন নির্বিকার। ফলে বর্ষা মৌসুমে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে তীব্র স্রোতে বেড়ে যাবে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গন।
অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ঠেকাতে না পারলে নদের বাম তীর সংরক্ষণ চলমান কাজের ব্যাঘাত ঘটবে বলে অভিযোগ করে বলেন এলাকার সুধীজন।
বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দীর্ঘদিন থেকে ব্রহ্মপুত্র নদের কয়েকটি স্থানে একটি চক্র ঘুঘুমারী থেকে বলদমারা হয়ে ফলুয়ারচর ও কর্ত্তিমারী নৌকাঘাটসহ আরও কয়েকটি স্থান থেকে প্রতিদিন ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করছে।
ফলে হুমকির মুখে ব্রহ্মপুত্র নদের তীর সংরক্ষণ কাজ। ভেঙ্গে যাওয়ার আশংঙ্কা করা হচ্ছে চরঘুঘুমারী, খেদাইমারী, বলদমারা, বাগুয়ারচর, কুটিরচর, বাঘমারা, কান্দাপাড় দিঘলাপাড়া, চর ধনারচরসহ প্রায় ১৭টি গ্রাম।
বাসিন্দাদের অভিযোগ-বাগুয়ার চর গ্রামের সাজেদুল ইসলাম, রাশেদুল ইসলাম- বলেন ড্রেজার মালিক আব্দুল বাছেদ, এরশাদ আলী, ময়নাল হক, সিরাজুল ইসলামসহ অনেকেই উত্তোলনকৃত বালু বিক্রয় করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। তাদের অভিযোগ প্রশাসন কেন নির্বিকার।
বলদমারা ঘাটে থাকা অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে প্রত্যক্ষদর্শী আলতাফ হোসেন, আব্দুস সামাদ, জাইদুল ইসলামসহ অনেকেই জানান, বলদমারা নৌকা ঘাট থেকে ঘুঘুমারী নৌকাঘাট পর্যন্ত নদী থেকে যে অবৈধভাবে বালু তোলা হচ্ছে, এভাবে বালু তোলা অব্যাহত থাকলে ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে ফসলি জমিসহ প্রায় ১৭ টি গ্রাম হুমকির মুখে পড়বে এবং বিলিন হয়ে যাবে ঘরবাড়ি।
তারা আরও বলেন বালু ব্যবসায়ী চক্রদেরকে গ্রামবাসীরা বাধা দিলে তাদেরকে নানা ভাবে ভয়ভীতি দেখায়। তাদের এই অশুভশক্তির উৎস কোথায়?
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল ইমরানকে ড্রেজারের মাধ্যমে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি জানান, প্রায় দিনই অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের ড্রেজার মেশিন গুলি বন্ধ করে আসছি।ড্রেজার বন্ধ করার জন্য বন্দবেড় ইউনিয়ন তহশিলদার রজব আলীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।