বাংলা হেডলাইনস গাজীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুরের প্রয়াত জনপ্রিয় শ্রমিক নেতা ও সংসদ সদস্য আহসান উল্লাহ মাস্টারের ১৭তম শাহাদাৎ বার্ষিকী শুক্রবার যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে।
এবার করোনা পরিস্থিতির কারণে সীমিত আকারে শাহাদাত বার্ষিকী পালন হয়।
সকাল থেকেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার এর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।
এ সময় আহসান উল্লাহ মাস্টারের ছেলে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, সিটি মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি আজমত উল্লা খান, মহানগর যুবলীগ আহ্বায়ক কামরুল আহসান রাসেল সরকারসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা বৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দসহ নানা শ্রেণী-পেশার লোকজন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। পরে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
গাজীপুরের হায়দরাবাদ এলাকায় জন্ম নেওয়া আহসান উলাহ মাস্টারকে ২০০৪ সালের ৭ মে তৎকালীন বিএনপি জোট সরকারের সময় টঙ্গীর নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে শ্রমিক সমাবেশ চলাকালে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে একদল চিহ্নিত সন্ত্রাসী।
এই হত্যাকান্ডের পর তার ছোট ভাই মতিউর রহমান বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল দ্রুত বিচার আইনে এই হত্যা মামলার রায় হয়। এতে মোট ৩০ আসামীর মধ্যে ২ জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। মামলার প্রধান আসামী বিএনপি নেতা নুরুল ইসলাম সরকারসহ অপর ২২ জনকে ফাঁসির আদেশ ও ৬ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডদেন আদালত।
২০১৬ সালের ১৫ জুন আহসানউল্লাহ মাস্টার হত্যার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল মামলার আদালতে দেয়া রায়ে ৬জনকে ফাঁসি, ৭জনকে যাবজ্জীবন এবং ১৫ জনকে খালাস দেয়া হয়। এ হত্যা মামলাটি হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র ও আসামি উভয়পক্ষের করা আলাদা লিভ টু আপিলের (আপিলের অনুমতি) শুনানি এখনো বিচারাধীন আছে।