রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
ব্রিকসের নয়া দিল্লি ঘোষণায় বহুপক্ষীয়কতাবাদ ও শান্তিতে জোর ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের সপ্তাহে এক ঘণ্টা সময় দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার: চিফ হুইপ ‘প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশ থেকে প্রতিনিধি পাঠানোর সুযোগ নেই’ এসআরবি বিল পাস, বিলুপ্ত র‍্যাব দুদকের অনুসন্ধান নিয়ে প্রশ্ন আসিফ মাহমুদের শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে সরকারের কোনো দ্বিধা নেই:উপদেষ্টা জাহেদ ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানের আহ্বান রাষ্ট্রপতির সাইফুর রহমানের মৃত্যুতে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন রিজভী ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : নির্বাচন কমিশনার

কুড়িগ্রামে খোলা আকাশে ৮৩টি পরিবার।।পাশে দাঁড়িয়েছে জেলা প্রশাসন

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১৭৩ দেখা হয়েছে

বাংলা হেডলাইনস কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের পোড়ারচর গ্রামে ভাঙন কবলিত ৮৩টি পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা ও জেলা প্রশাসন।

গত ২০দিন ধরে খোলা আকাশে আশ্রয় নেয়া এসব পরিবারকে পুনর্বাসনের আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম। এছাড়াও শনিবার সকালে তাদের হাতে শুকনো খাবার ও শীতবস্ত্র তুলে দেয়া হয়।

জানা যায়, ব্রহ্মপূত্র নদের তীব্র ভাঙনে গত দুই মাসে দ্বীপচর বেষ্টিত পোড়ারচর গ্রামটির পঁচানব্বইভাগ এলাকা নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। এখন সামান্য জায়গায় ঘরবাড়ি সড়িয়ে খোলা আকাশে আশ্রয় নিয়েছে তারা। এনিয়ে সংবাদকর্মীগণ প্রশাসনের নলেজে বিষয়টি নিয়ে আসলে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) উত্তম কুমার রায়, সদর ইউএনও রাসেদুল ইসলাম, সদর এসি ল্যান্ড সহ ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে যান। সেখানে দুর্গতদের খোঁজখবর নেন। তাদেরকে শুকনো খাবার ও শীতবস্ত্র তুলে দেন।  

এসময় জেলা প্রশাসককে ওই গ্রামের হাসেম, কামরুল ও সৈয়দ জানান, আমাদের এখন নিজস্ব কোন জায়গা জমি নাই। সব ব্রহ্মপূত্রের পেটে চলে গেছে। এখন পাশেই সরকারি ৪শ’ বিঘা খাসজমি রয়েছে। আমরা সেখানে বাড়ি নিয়ে গেলে প্রবাবশালীরা আমাদের ঘরবাড়ি ভাসিয়ে দেয়। তারা আমাদেরকে আশ্রয় না দেয়ায় এখানে আমরা প্রায় ২০দিন ধরে মানবেতরভাবে জীবন যাপন করছি।

ওই গ্রামের হামিদা, বানু ও মালতী জানান, আমাদের এখানে মসজিদে মাত্র একটি নলকুপ আছে। এছাড়া নলকুপ লেট্রিন নাই। বাধ্য হয়ে আমরা নদীর পানি খাচ্ছি, রান্না বান্না করছি ও এবং গবাদি পশুকে খাওয়াচ্ছি। এতে শিশুরা রোগ ব্যাধীসহ নানান সমস্যায় ভুগছে। আমাদেরকে দ্রুত স্থানান্তর করা হোক।

ওই গ্রামের শরিফুল মাস্টার জানান, যাত্রাপুর মেইনল্যান্ড এলাকার ৪টি প্রভাবশালী পরিবার ওই ৪শ’ বিঘা জমি ভোগদখল করে আসছে। আমাদের জন্য সামান্য একটু জায়গাও ছেড়ে দিচ্ছে না। 

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম জানান, সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদটি দেখার পর আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সহযোগিতার নির্দেশ দিয়ে আমি নিজেই ঘটনাস্থলে এসেছি। সরেজমিনে তাদের সার্বিক অবস্থাটা দেখলাম। আজকে আপাতত তাদেরকে খাবার সামগ্রি ও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হল। নদী ভাঙনে এরা চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। পার্শ্ববর্তী এলাকায় একটি খাস চর রয়েছে সেখানে আমরা তাদেরকে সংস্থাপনের চেষ্টা করবো।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com