বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
দুদকের অনুসন্ধান নিয়ে প্রশ্ন আসিফ মাহমুদের শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে সরকারের কোনো দ্বিধা নেই:উপদেষ্টা জাহেদ ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানের আহ্বান রাষ্ট্রপতির সাইফুর রহমানের মৃত্যুতে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন রিজভী ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : নির্বাচন কমিশনার সংঘাত এড়িয়ে সমঝোতার রাজনীতির আহ্বান রাষ্ট্রপতির সংকটে কিছু রাজনৈতিক দল অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী প্রস্তুত থাকুন, বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক আসবে: জামায়াত আমির রাজপথে হুমকি নয়, সংসদে গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে পরামর্শ দিন : রিজভী লংমার্চে বাধা দিলে জনরোষের মুখে পড়তে পারে সরকার: গোলাম পরওয়ার

চাঞ্চল্যকার বিশ্বজিৎ হত্যায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আলাউদ্দিন গ্রেফতার

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৫ জুলাই, ২০২২
  • ১৯৪ দেখা হয়েছে

বাংলা হেডলাইনস বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ার শিবগঞ্জের মোকামতলায় শ্বশুর বাড়িতে ঈদ করতে এসে ধরা পড়েছেন, ঢাকার বহুল আলোচিত দর্জি শ্রমিক বিশ্বজিৎ সাহা হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আলাউদ্দিন (৩৬)।

শিবগঞ্জ থানা পুলিশ গোপনে খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে তাকে ওয়ারেন্টমূলে গ্রেফতার করে।

ওসি দীপক কুমার দাস জানান, পরে আলাউদ্দিনকে পঞ্চগড়ের আটোয়ারা থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

বগুড়ার শিবগঞ্জ থানার পুলিশ জানায়, আলাউদ্দিন পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার ছোট ধাপ গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে। ২০১২ সালে বিশ্বজিৎ হত্যাকান্ডের পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। কোরবানীর ঈদ উদযাপনে আলাউদ্দিন গত ৭ জুলাই স্ত্রী নাহিদ ফেরদৌসকে নিয়ে বগুড়ার শিবগঞ্জের মোকামতলা বন্দর এলাকায় শ্বশুর কাজী নুরুল ইসলামের বাড়িতে আসেন। ১৫ জুলাই রাতে ফিরে যাওয়ার কথা ছিল।

আলাউদ্দিন কক্সবাজারের টেকনাফে বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকে চাকরি করতেন। তার স্ত্রী ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রী নাহিদ ফেরদৌস সেখানে একটি বিদেশী সাহায্য সংস্থায় চাকরি করেন। ২০১৬ সালে তাদের বিয়ে হয়। আলাউদ্দিন এর আগে গাজীপুরে একটি পোলট্রি খামারে চাকরি করতেন। ছাত্রলীগের কর্মী আলাউদ্দিন ২০১২ সালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। ওই বছরের ৯ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার সুত্রাপুরের বাহাদুর শাহ পার্কের সামনে দিয়ে দর্জি শ্রমিক বিশ্বজিৎ দাস (২২) হেঁটে যাচ্ছিলেন। এ সময় অজ্ঞাত কারণে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে বিশ্বজিৎকে কুপিয়ে হত্যা করে। নৃশংস এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।

এ ব্যাপারে বিশ্বজিতের ভাই উত্তম দাস ঢাকার সুত্রাপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা ২১ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর ঢাকার চতুর্থ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসামিদের মধ্যে আটজনের মৃত্যুদন্ড এবং ১৩ জনকে যাবজ্জীবন সাজা দেন।

সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে আটজন গ্রেফতার হলেও ঘটনার পর থেকে অপর ১৩ জন পলাতক রয়েছে। পরে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তরা আপিল করলে হাইকোর্ট ২০১৭ সালের ৬ আগস্ট দু’জনের মৃত্যুদন্ডাদেশ বহাল রাখেন এবং চারজনের মৃত্যুদন্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন এবং দু’জনকে খালাস দেয়। এজাহারে চার নম্বর আসামি আলাউদ্দিন ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিল।

ওসি দীপক কুমার দাস জানান, আলাউদ্দিনের সাজার ওয়ারেন্ট নিজ এলাকা পঞ্চগড়ের আটোয়ারী থানায় এসেছিল। শুক্রবার সকালে গোপনে খবর পেয়ে বগুড়ার শিবগঞ্জের মোকামতলা বন্দর এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে আলাউদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে আটোয়ারী থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com