বাংলা হেডলাইনস বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ার সোনাতলায় কৃষক আবু তাহের বাবলু হত্যা মামলায় আতাউল হক সরকার আতাকে (৬২) যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে।
একই সাথে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ছয় মাসের সশ্রম কারাদন্ডাদেশ দেওয়া হয়।অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় তিনজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
দীর্ঘ ১৫ বছর পর সোমবার দুপুরে বগুড়ার প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ হাবিবা মন্ডল জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের কৌশলী এপিপি সাব্বির আহমেদ বিদ্যুৎ এসব তথ্য দিয়েছেন।
আদালত সূত্র জানায়, যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আতাউল হক আতা সরকার বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার উত্তর দীঘলকান্দি গ্রামের মৃত মন্তেজার রহমানের ছেলে।অভিযোগ থেকে খালাসপ্রাপ্তরা হলেন বেলাল সরকার, জুয়েল সরকার ও আলমগীর হোসেন।
সূত্রটি আরো জানায়, সোনাতলা উপজেলার উত্তর দীঘলকান্দি গ্রামের আবু তাহের বাবলুর সাথে একই এলাকার আত্মীয় আতাউল হক সরকার আতার জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। বাবলু গত ২০০৭ সালের ৯ অক্টোবর বেলা ১টার দিকে জমিতে কাজ শেষে হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় পূর্ব শ্ত্রুতার জের ধরে আতা ও অন্যরা বাবলুর উপর হামলা করেন।
মারপিটে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার সময় আতাকে বাঁচাতে গেলে মারপিটে তার স্ত্রী ও ছেলে আহত হন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে আতা মারা যান। পরদিন নিহতের শ্যালক পাঠানপাড়া গ্রামের সেলিম আকন্দ সোনাতলা থানায় চারজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন এসআই আবদুস সালাম ২০০৮ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আতাকে প্রধান অভিযুক্ত করে চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে বগুড়ার প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ হাবিবা মন্ডল সোমবার আতাকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড, ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ছয় মাসের সশ্রম কারাদন্ড দেন। অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় তিনজনকে খালাস দেওয়া হয়।