বাংলা হেডলাইনস: চট্টগ্রামের বায়েজীদে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ’র জনসংযোগের সময় গুলিবর্ষণের ঘটনা ‘দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির সেই অপতৎপরতার নির্মম বহিঃপ্রকাশ’ বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বুধবার রাতে এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব এমন মন্তব্য করে চট্টগ্রাম-৮ আসনে দলীয় প্রার্থীর ওপর হামলাকারীদের অবিলম্বে গেপ্তার ও বিচার দাবি করেছেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘‘ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠীর পতনের পর দুষ্কৃতিকারীরা আবারো দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টিসহ নৈরাজ্যের মাধ্যমে ফায়দা হাসিলের অপতৎপরতায় লিপ্ত হয়েছে। দুষ্কৃতিকারীদের নির্মম হামলায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৮ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রাপ্ত এরশাদ উল্লাহসহ আরও একাধিক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধের ঘটনা সেই অপতৎপরতারই নির্মম বহিঃপ্রকাশ।“
এদিন বিকালে গুলিবর্ষণের ঘটনার পর মহানগর বিএনপির আহবায়ক এরশাদ উল্লাহসহ চারজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। গুলিতে নিহত হয়েছেন সারোয়ার হোসেন বাবলা, যিনি পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ছিলেন। ইদানিং তিনি নিজেকে বিএনপি কর্মী দাবি করতেন।
গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইরফানুল হক শান্ত ৩ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক। গুলিবিদ্ধ আমিনুল হক ও মর্তুজা হকও বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত।
বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন চালিতাতলী পূর্ব মসজিদের কাছে তারা গুলিবিদ্ধ হন।
এ হামলার নিন্দা জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতেই এ ধরনের ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তাই এসব দুষ্কৃতিকারীদের কঠোর হস্তে দমনের বিকল্প নেই। গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠাসহ দেশের মানুষের জানমাল রক্ষায় দল, মত নির্বিশেষে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। নইলে ওঁত পেতে থাকা দুষ্কৃতিকারীরা মাথাচাড়া দিয়ে দেশের অস্তিত্ব বিপন্ন করতে মরিয়া হয়ে উঠবে।”
এরশাদ উল্লাহসহ যারা গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন মির্জা ফখরুল।