বাংলা হেডলাইনস: ভোটের ফলাফল না হওয়া পর্যন্ত নেতাকর্মী ও সমর্থকদের কেন্দ্র না ছাড়ার নির্দেশনা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
নির্বাচনি প্রচারণার শেষ দিনে সোমবার রাতে ঢাকা-৪ আসনে জুরাইন দয়াগঞ্জে জনসভায় এ নির্দেশনা দেন তিনি।
ভোর বেলায় ভোট দিতে কেন্দ্রে যেতে আবারও আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “ফজরের নামাজ আদায় করে ভোটকেন্দ্রের সামনে দাঁড়াতে হবে। শুধু ভোট দিয়ে চলে আসলেই হবে না। একদম শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। ভোট শেষ হলে ভোট গুণে হিসাব নিকাশ বুঝে তারপরে বাড়িতে ফিরে আসবেন।”
তারেক রহমান বলেন, ‘‘গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে আপনাদের শুধু ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয় নাই। আপনাদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আজ একইভাবে আবার গণতন্ত্রের বিপক্ষে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এই ষড়যন্ত্র আমাদেরকে রুখতে হবে।
“কারণ আমরা যদি আবার এই ষড়যন্ত্রের মধ্যে আটকে যাই তাহলে দেশ আরো পিছিয়ে যাবে, জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন আরো পিছিয়ে যাবে। সেজন্য ১২ তারিখের যে নির্বাচন এই নির্বাচনে আপনাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে। চোখ কান খোলা রাখতে হবে।”
এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী তানভীর আহমেদ রবিনকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাকে বিজয়ী করতে এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
এর আগে তিনি ঢাকা-৯ আসনে হাবিবুর রশীদ হাবিবের আসনে বাসাবো তরুণ সংঘ মাঠে, ঢাকা-৫ আসনে নবী উল্লাহ নবীর যাত্রাবাড়ী শহীদ ফারুক রোডে জনসভায় বক্তব্য রাখেন।
দয়াগঞ্জের সভা শেষে বিএনপি চেয়ারম্যান ঢাকা-৬ আসনে ইশরাক হোসেনের জন্য ধূপখোলা মাঠে এবং সবশেষে ঢাকা-৭ আসনে হামিদুর রহমান হামিদের জন্য প্রচারণায় লালবাগ বালুর মাঠের পথসভায় বক্তব্য দেন।
রাত সাড়ে ৯টায় বালুর মাঠে সমাবেশ সমাপ্তির মধ্য দিয়ে টানা ৮ ঘণ্টার
নির্বাচনি প্রচারণা শেষ করেন তিনি। দুই দিনে তিনি ঢাকা মহানগরীর ১৪টি আসনের জনসভায় বক্তব্য দেন।
বেলা সাড়ে ১২টায় নিজের আসন ঢাকা-১৭ আসনে বনানীর কামাল আতাতুর্ক মাঠ থেকে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেন বিএনপি চেয়ারম্যান।
তারেক রহমান গত ২২ জানুয়ারি সিলেটের আলীয়া মাদ্রাসা থেকে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেন।
এরপর তিনি মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ব্রাক্ষণবাড়ীয়া, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জের মৌচাক, চট্টগ্রাম, ফেনী, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম, সুয়াগাজী, দাউদকান্দি, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও, ময়মনসিংহ, গাজীপুর, ঢাকার উত্তরা, রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া, রংপুর, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, বরিশাল, ফরিদপুর, ঠাকুগাঁও, নীলফামারী, দিনাজপুরসহ সর্বমোট ২৭টি নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য রাখেন ।
সব মিলিয়ে ঢাকাসহ সারাদেশে ৯ দিনে ৪১টি জনসভায় বক্তব্য রাখেন তারেক রহমান।