বাংলা হেডলাইনস : চতুর্মুখী চাপ থাকার পরও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
তিনি বলেছেন, “বাংলাদেশের জনগণের কষ্টের কথা ভেবে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করিনি। কোভিড মহামারী, রাশিয়া যুদ্ধের পর এমনিতেই মূল্যস্ফীতির চাপ সহ্য করছে মানুষ।
“তাই চতুর্দিক থেকে চাপ থাকার পরও আমরা জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করব না।”
শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে সমাজসেবা অধিদপ্তরের আয়োজনে দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
৮০টি দেশ তাদের জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে দাবি করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “একমাত্র বাংলাদেশ দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করেনি। বরং সরকার প্রতিদিন ১৬৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে।”
এপ্রিল পর্যন্ত দেশে জ্বালানি তেল মজুদ থাকার কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, “আমরা আগামী ৯০ দিনের জ্বালানি তেল মজুদ রাখা নিশ্চিত করতে কাজ শুরু করেছি।”
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, “হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল আমদানিতে ইরান সরকার যে পাঁচটি দেশের জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে তার মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের শক্তিশালী কূটনৈতিক অবস্থানের কারণে এটি সম্ভব হয়েছে।”
যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
এতে বক্তব্য দেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. হারুন অর রশিদ।
অনুষ্ঠানে ছিলেন যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু।
অনুষ্ঠানে জেলার ১৫৩ জন দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তির মাঝে চেক বিতরণ করা হয়।