বাংলা হেডলাইনস: বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে জনগণের পাশে দাঁড়াতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার রাতে নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দোতলার বারান্দায় দাঁড়িয়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশে এ আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, মানুষ অনেক প্রত্যাশা নিয়ে বিএনপির দিকে তাকিয়ে আছে। কাজেই এখানে উপস্থিত ও অন্যসব নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরতে হবে, আইনশৃঙ্খলার ভেতরে থাকতে হবে।
‘‘অনেক সমস্যা আছে দেশে। মানুষকে বোঝাতে হবে। আমাদেরকে মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। মানুষকে ধৈর্য ধারণ করানো শেখাতে হবে, ধৈর্য ধারণে তাদের সহযোগিতা করতে হবে।”
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তারেক রহমান প্রথমবার বিএনপির নয়া পল্টনের কার্যালয়ে আসবেন শুনে শনিবার দুপুরের পর থেকে সেখানে হাজারো নেতাকর্মী উপস্থিত হতে শুরু করেন। তারা দীর্ঘ সময় কার্যালয়ের সামনের এ সড়কে অবস্থান করেন। এতে বিকাল থেকেই এ সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
এ দিকে ইঙ্গিত করে তারেক রহমান বলেন, ‘‘মানুষের সমস্যা হয়, কষ্ট হয়, অসুবিধা হয় সেই জিনিসগুলো করা যাবে না।”
‘‘এখন এক নম্বর কাজ হচ্ছে, এই রাস্তাটা ক্লিয়ার করতে হবে।”
বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি সড়কের ওপারে একটা অ্যাম্বুলেন্স কর্মীদের ভিড়ে আটকা পড়লে তা যাওয়ার ব্যবস্থা করতে বলেন।
নয়া পল্টনের কার্যালয়ের সামনে এরকম ভিড় থাকলে তার পক্ষে দলীয় কার্যালয়ে আসা কষ্টকর হবে তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘‘অফিসে যাতে আমি আসতে পারি এই রাস্তা স্বাভাবিক রাখতে হবে। আপনাদের সহযোগিতা থাকলে আমি অফিসে আসতে পারব।
‘‘আপনাদের সহযোগিতা না থাকলে আমি অফিসে আসতে পারব না। আপনারা কি চান আমি অফিসে আসি?”
এসময় নেতাকর্মীরা ‘হ্যাঁ’ সূচক স্লোগান দিলে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, “আরো দুই-একদিন অফিসে আসব। আমি দেখব, যদি স্বাভাবিক দেখি তাহলে আসব।”
তবে এরকম রাস্তা বন্ধ থাকলে তার পক্ষে এ কার্যালয়ে আসা সম্ভব না বলে নেতাকর্মীদের বলেন তিনি।
“অফিসে এলে নেতাকর্মী সকলের সাথে দেখা সাক্ষাৎ করা সম্ভব হবে, সাংগঠনিক কাজ করা সম্ভব হবে। আমি কথা বুঝাতে পেরেছি?”
তিনি বলেন, “আপনারা যদি এরকম করেন এলাকার মানুষের সমস্যা হবে, হাজার হাজার মানুষের সমস্যা হবে। আমরা দেশের মানুষের সমস্যার কারণ হতে চাই না। তাইতো না কি?”
পরে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় ছাড়েন। এসময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, কোষাধ্যক্ষ রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, সাংসদ রফিকুল আলম মজনু, ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রশাসক আবদুস সালাম, উত্তর সিটির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন উপস্থিত ছিলেন।