মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
র‍্যাবের নাম পরিবর্তন বিবেচনায় রয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গ্রাফিতি মোছার অভিযোগ ভিত্তিহীন : চসিক মেয়র শাহাদাত হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল নিয়ে তেহরানের সঙ্গে ইউরোপের আলোচনা অপরাধীর কঠোর শাস্তি নিশ্চিতে গুম আইন প্রণয়ন করা হবে : আইনমন্ত্রী বিএনপির ‘পা থেকে মাথা পর্যন্ত সবাই চাঁদাবাজ’: জামায়াত আমির দুই মাসে হাম ও হামের উপসর্গে ৪৫১ জনের মৃত্যু শি জিনপিংকে ‘বন্ধু’ বললেন ট্রাম্প, যুক্তরাষ্ট্র সফরের আমন্ত্রণ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি এখনও অটুট ‘বাজার সিন্ডিকেট’ ভাঙতে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা জামায়াত আমিরের ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি এখন ‘লাইফ সাপোর্টে’: ট্রাম্প

ইতিহাস গড়ল আর্টেমিস টু ।। পৃথিবী থেকে এত দূরে আর কখনো যায়নি মানুষ

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৯২ দেখা হয়েছে
ফটো সংগৃহীত।

বাংলা হেডলাইনস: পৃথিবী থেকে মানুষের মহাকাশে সবচেয়ে বেশি দূরত্বে ভ্রমণের নতুন রেকর্ড গড়লেন আর্টেমিস টু মিশনের চার নভোচারী।

এর আগে ১৯৭০ সালে অ্যাপোলো–১৩ মিশনের নভোচারীরা পৃথিবী থেকে ২ লাখ ৪৮ হাজার ৬৫৫ মাইল দূরত্ব পেরিয়েছিলেন।

বাংলাদেশ সময় সোমবার মধ্যরাতে আর্টেমিস টু মিশনের নভোচারীরা সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে যান।

নাসার নভোচারী রিড ওয়াইজম্যানের নেতৃত্বে এই মিশনে আছেন ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কোচ এবং কানাডীয় নভোচারী জেরেমি হ্যানসেন।

আরো প্রায় ৪ হাজার ১০২ মাইল এগিয়ে গিয়ে পৃথিবী থেকে ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৫৭ মাইল দূরত্বে পৌঁছানোর পর তারা চাঁদের চারপাশ প্রদক্ষিণ করে বাড়ির পথ ধরবেন।

বর্তমানে চাঁদের মহাকর্ষীয় শক্তির বলয়ে থেকে নভোচারীরা এমন এক পথে এগিয়ে যাচ্ছেন, যা শিগগিরই তাদের চাঁদের রহস্যময় ও অন্ধকার অংশ বা ‘ফার সাইডে’ নিয়ে যাবে।

অ্যাপোলো ১৩-এর রেকর্ড ভাঙার পর কানাডীয় নভোচারী জেরেমি হ্যানসেন বলেন, “আমরা পৃথিবী থেকে মানুষের এ যাবৎকালের সবচেয়ে দূরবর্তী পথ পেরিয়েছি। মহাকাশ গবেষণায় আমাদের পূর্বসূরীদের অসাধারণ পরিশ্রম ও সাফল্যকে সম্মান জানিয়েই আমরা এ কৃতিত্ব পেলাম।

“আমাদের এই প্রিয় পৃথিবী তার টানে আমাদের ফিরিয়ে নেওয়ার আগ পর্যন্ত আমরা মহাকাশের আরও গভীরে আমাদের যাত্রা অব্যাহত রাখব।”

সবশেষে তিনি বর্তমান ও পরবর্তী প্রজন্মের উদ্দেশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেছেন, “তোমাদের নিশ্চিত করতে হবে যেন এই রেকর্ডটি খুব বেশিদিন টিকে না থাকে। তোমরা যেন শিগগিরই রেকর্ডটি ভেঙে আরও দূরে যেতে পার।”

পূর্বসূরীর শেষ বার্তা

গত সপ্তাহে ফ্লোরিডা থেকে উৎক্ষেপণের পর আর্টেমিস টু নভোচারীরা নিজেদের ওরিয়ন ক্যাপসুলে অবস্থান করছেন।

অভিযানের ষষ্ঠ দিনে যুক্তরাষ্ট্র সময় সকাল ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে ঘুম থেকে ওঠার পর তাদের শোনানো হয় অ্যাপোলো ৮ ও ১৩ মিশনের প্রয়াত নভোচারী জিম লোভেলের রেকর্ড করা এক বার্তা।

গত বছর ৯৭ বছর বয়সে মারা যাওয়া লোভেল জানতেন, মহাকাশে সবচেয়ে বেশি দূরত্বে ভ্রমণের তাদের রেকর্ডটি এবার ভাঙতে যাচ্ছে আর্টেমিস টু মিশন।

এই মিশনের নভোচারীদের উদ্দেশে তিনি সেই বার্তায় বলে গেছেন, “আমার পুরানো এলাকায় তোমাদের স্বাগতম!

“ফ্র্যাঙ্ক বোরম্যান, বিল অ্যান্ডার্স আর আমি যখন অ্যাপোলো ৮-এ করে চাঁদ প্রদক্ষিণ করেছিলাম, তখন মানবজাতি প্রথমবার কাছ থেকে চাঁদকে দেখেছিল। পুরো পৃথিবীর এমন এক দৃশ্য পেয়েছিল, যা বিশ্ববাসীকে অনুপ্রাণিত ও ঐক্যবদ্ধ করেছিল।

“আজ আমি গর্বের সঙ্গে সেই মশাল তোমাদের হাতে তুলে দিচ্ছি। তোমরা চাঁদের পাশ দিয়ে ঘুরে মঙ্গলে যাওয়ার ভিত্তি তৈরি করছ। এ ঐতিহাসিক দিন, তোমরা অনেক ব্যস্ত থাকবে জানি। তবে ওই দৃশ্য উপভোগ করতে ভুলো না। তোমাদের সবার জন্য শুভকামনা।”

লোভেলের বার্তার শেষ লাইনটি ছিল অ্যাপোলো ৮-এর সেই বিখ্যাত বড়দিনের বার্তারই প্রতিফলন।

বার্তাটি শোনার পর আর্টেমিস টু’র কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যান মিশন কন্ট্রোলে রেডিওর মাধ্যমে বলেন, “জিম লোভেলের বার্তাটি অসাধারণ ছিল। তার কণ্ঠে আমাদের স্বাগত জানানো শুনতে খুব ভালো লেগেছে।”

আর্টেমিস টু নভোচারীর প্রয়াত স্ত্রীর নামে চাঁদের গহ্বর

সবচেয়ে বেশি দূরত্বে ভ্রমণের নতুন রেকর্ড গড়ার পর এক হৃদয়স্পর্শী মুহূর্তে জেরেমি হ্যানসেন বলেন, তারা চাঁদের দুটি নতুন গহ্বরের নামকরণ করতে চান, যা তারা মহাকাশযান থেকে খালি চোখে দেখতে পাচ্ছেন।

চাঁদের ‘ওম’ গর্তের কাছে অবস্থিত একটি গহ্বরেন নাম রাখা হয়েছে তাদের ওরিয়ন মহাকাশযানের সম্মানে ‘ইন্টেগ্রিটি’।

‘গ্লুশকো’ নামের এক উজ্জ্বল গর্তের পাশে অন্য গহ্বরের নাম তারা ক্যারল রাখার প্রস্তাব দিচ্ছেন। আর্টেমিস টু মিশনের কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যানের প্রয়াত স্ত্রী ক্যারল টেলর ওয়াইজম্যানের স্মরণে তাদের এই নাম রাখার প্রস্তাব।

পেশায় নার্স ক্যারল ২০২০ সালে ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে মারা যান।

কথাগুলো বলার সময় জেরেমি হ্যানসেনের গলা আবেগে কেঁপে উঠছিল। তার কথা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই চার নভোচারী একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেলেন।

এ দৃশ্য দেখে হিউস্টনে নাসার কন্ট্রোল রুমেও এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়

‘মহাকাশের রাজকীয় দৃশ্য’

মহাকাশযানের জানালা দিয়ে দেখা দৃশ্যের সর্বশেষ আপডেট দিয়ে ওয়াইজম্যান বলেন, “এখান থেকে পৃথিবীকে ছোট এক বাঁকা চাঁদের মতো দেখাচ্ছে, চমৎকার! আমি একটি ছবিও তুলেছি… এখান থেকে দৃশ্যটা সত্যিই রাজকীয়।”

রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার ও ক্রিস্টিনা কোচ ও জেরেমি হ্যানসেন সোমবার পৃথিবী থেকে প্রায় ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৬০ মাইল দূরে তাদের যাত্রাপথের সর্বোচ্চ দূরত্বে পৌঁছাবেন।

এরপর তারা চাঁদের উল্টো পিঠ বা ফার সাইড প্রদক্ষিণ করবেন। চাঁদের অন্ধকার পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪ হাজার মাইল উপর দিয়ে যাওয়ার সময় এক অদ্ভুত দৃশ্য দেখবেন নভোচারীরা, যেখানে চাঁদ সামনে এসে আড়াল করে দাঁড়াবে দূরে বাস্কেটবলের মতো পৃথিবীকে।

প্রায় ১০ দিনের আর্টেমিস টু মিশনের এক চূড়ান্ত পর্যায় এটি, যা নাসার আর্টেমিস প্রোগ্রামের প্রথম মানুষবাহী পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ।

কেন এই মিশন

বহু বিলিয়ন ডলারের এ সিরিজ মিশনের লক্ষ্য চীনকে প্রতিযোগিতায় হারিয়ে দিয়ে ২০২৮ সালের মধ্যে চাঁদের পৃষ্ঠে নভোচারীদের পুনরায় ফিরিয়ে নেওয়া এবং আগামী দশকে সেখানে দীর্ঘমেয়াদী মার্কিন উপস্থিতি নিশ্চিত করা।

এছাড়া চাঁদে একটি ঘাঁটি তৈরি করতে চায় নাসা, যা ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে সম্ভাব্য মিশনের প্রস্তুতির জায়গা হিসেবে কাজ করবে।

চাঁদকে ঘিরে এ ভ্রমণের সময় নভোচারীরা মহাকাশের অন্ধকারে ডুবে যাবেন এবং কিছু সময়ের জন্য পৃথিবীর সঙ্গে তাদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। কারণ, চাঁদ তখন তাদের ও নাসার ‘ডিপ স্পেস নেটওয়ার্ক’-এর মাঝখানে বাধা হয়ে দাঁড়াবে।

‘ডিপ স্পেস নেটওয়ার্ক’ হচ্ছে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বড় রেডিও অ্যান্টেনা ব্যবস্থা, যা দিয়ে পৃথিবী থেকে নভোচারীদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে।

চাঁদ প্রদক্ষিণ

এ চাঁদ প্রদক্ষিণ বা ফ্লাইবাই প্রায় ছয় ঘণ্টা স্থায়ী হবে। এ সময়ে নভোচারীরা ওরিয়ন মহাকাশযানের জানালা দিয়ে পেশাদার ক্যামেরার সাহায্যে চাঁদের ছবি তুলবেন।

ফলে চাঁদের প্রান্ত দিয়ে সূর্যের আলো ছড়িয়ে পড়ার এক বিরল এবং বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে মূল্যবান দৃশ্য ধারণ করা সম্ভব হবে।

নভোচারীরা মহাকাশে তাদের রেকর্ড গড়া দূরত্বের কারণে ছোট হয়ে আসা নিজেদের প্রিয় গ্রহটিকেও দেখার সুযোগ পাবেন।

চাঁদের চারপাশ দিয়ে ঘোরার সময় তাদের চোখে পৃথিবীর উদয় ও অস্ত যাওয়ার এক বিরল মুহূর্ত ধরা পড়বে, যা পৃথিবী থেকে দেখা চন্দ্রোদয়ের মহাজাগতিক দৃশ্যের উল্টো রূপ।

এদিকে, হিউস্টনের জনসন স্পেস সেন্টারে নাসার ‘সায়েন্স ইভালুয়েশন’ রুমে কয়েক ডজন চন্দ্র বিজ্ঞানীর একটি দল সতর্কভাবে সেই মুহূর্তের নোট নেবেন।

মিশনের প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে নভোচারীরা আগে থেকেই বিভিন্ন চন্দ্র ঘটনা নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। ফলে তারা সরাসরি যা দেখবেন তার বর্ণনা বিজ্ঞানীদের কাছে পৌঁছে দেবেন।

নাগালের বাইরে ৪০ মিনিট

আর্টেমিস টু মিশনের নভোচারীরা চাঁদের উল্টো পাশে গেলে পৃথিবী ও মহাকাশযানের মধ্যে বাধা হয়ে দাঁড়াবে চাঁদ। এ সময় রেডিও সিগনাল যাতায়াত করতে পারবে না। ফলে প্রায় ৪০ মিনিট পৃথিবী থেকে নভোচারীদের সঙ্গে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন থাকবে।

এ সময় তাদের সঙ্গে থাকবে কেবল তাদের নিজস্ব চিন্তা ও অনুভূতি, যা হবে এক গভীর নিঃসঙ্গতা আর নীরবতার মুহূর্ত।

এর আগে, আর্টেমিস পাইলট ভিক্টর গ্লোভার বলেছিলেন, তার আশা, বিশ্ববাসী এ সময়টুকুকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কাজে ব্যবহার করবেন।

মিশন শুরুর আগে এক সাক্ষাৎকারে গ্লোভার বলেছিলেন, “আমরা যখন চাঁদের পেছনে থাকব ও সবার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে, তখন সেই সময়টিকে একটি সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করুন। আপনারা প্রার্থনা করুন, আশা রাখুন এবং আপনাদের শুভকামনা ও অনুভূতিগুলো আমাদের কাছে পাঠান, যেন আমরা পুনরায় ক্রুদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারি।”

অ্যাপোলো ১৩ বনাম আর্টেমিস টু

১৯৭০ সালের অ্যাপোলো ১৩ মিশনটি আসলে যতটা দূরে যাওয়ার কথা ছিল, তার চেয়েও বেশি দূরে চলে গিয়েছিল। পরিকল্পনা ছিল তারা চাঁদকে প্রদক্ষিণ করে সেখানে অবতরণ করবে। তবে যাত্রাপথে একটি অক্সিজেন ট্যাংক বিস্ফোরিত হওয়ায় সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।

ওই সময় গ্রাউন্ড কন্ট্রোল ও তিন নভোচারী লোভেল, ফ্রেড হাইস ও জ্যাক সুইগার্ট সঙ্গে সঙ্গে পরিকল্পনা বদলে ফেলেন। সব প্রতিকূলতা জয় করে তারা চাঁদকে কেবল প্রদক্ষিণ করে সফলভাবে পৃথিবীতে ফিরে আসেন।

এর বিপরীতে, আর্টেমিস টু মিশনটি একদম নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুসারে এগিয়ে চলছে। মিশনটি পরীক্ষামূলক এক যাত্রা, যা প্রমাণ করবে ওরিয়ন মহাকাশযানটি গভীর মহাকাশে নভোচারীদের নিরাপদে রাখতে পরছে কি না।

চাঁদ প্রদক্ষিণের বিষয়টি ওরিয়ন ক্যাপসুলকে এক গুলতির মত গতি দিয়ে পুনরায় পৃথিবীর দিকে ছুড়ে দেবে। যুক্তরাষ্ট্র সময় শুক্রবার ১০ এপ্রিল সান ডিয়েগো উপকূলের কাছে সমুদ্রে অবতরণের মাধ্যমে ওরিয়ন নভোচারীদের নিয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসবে।

সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০২৮ সালের শেষ দিকে আর্টেমিস ফোর মিশনের মাধ্যমে মানুষ প্রথমবার চাঁদের মাটিতে অবতরণ করবে। এর আগে আর্টেমিস থ্রি মিশনে পৃথিবীর কক্ষপথে ডকিং প্রযুক্তির পরীক্ষা চালানো হবে।

এরপর আরও কিছু অভিযানের মাধ্যমে ২০৩০ সালের শুরুর দিকে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে স্থায়ী এক ঘাঁটি তৈরি করা হবে।

আর্টেমিস টু মিশনের যা যা রেকর্ড

সবচেয়ে বেশি দূরত্বে ভ্রমণের রেকর্ডটি এই মিশনের অনেকগুলো সাফল্যের মধ্যে একটি।

১ এপ্রিল যাত্রা শুরু করা আর্টেমিস টু নাসার আর্টেমিস প্রোগ্রামের প্রথম মানুষবাহী মিশন। ১৯৭২ সালের অ্যাপোলো ১৭ মিশনের পর এটিই প্রথম মানববাহী মহাকাশযাত্রা, যা পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথ ছাড়িয়ে এত দূরে গেছে।

এ মিশনে আরও কিছু ঐতিহাসিক রেকর্ড হয়েছে। প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি হিসেবে পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথ পেরিয়েছেন আর্টেমিস টু-এর পাইলট ভিক্টর গ্লোভার। মিশন স্পেশালিস্ট ক্রিস্টিনা কোচ ও জেরেমি হ্যানসেন হলেন যথাক্রমে প্রথম নারী ও প্রথম অ-মার্কিন নাগরিক, যারা এ ইতিহাসের সঙ্গী হলেন।সূত্র: বিডিনিউজডটকম

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com