মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
সরকারের ১০০ দিনে মন্ত্রিসভার ৬২ শতাংশ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়েছে : মাহদী আমিন রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যা: অভিযোগ গঠনের শুনানি ১লা জুন আগামী এক মাসের মধ্যে রামিসা হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা রামিসা হত্যা মামলার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থিক খাতে আস্থা ফেরাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা জরুরি : অর্থমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে ‘রক্তক্ষয়ী পরিস্থিতি’ হবে: কিউবা র‍্যাবের নাম পরিবর্তন বিবেচনায় রয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গ্রাফিতি মোছার অভিযোগ ভিত্তিহীন : চসিক মেয়র শাহাদাত হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল নিয়ে তেহরানের সঙ্গে ইউরোপের আলোচনা

সরকারের ১০০ দিনে মন্ত্রিসভার ৬২ শতাংশ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়েছে : মাহদী আমিন

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬
  • ৩ দেখা হয়েছে

বাংলা হেডলাইনস: সরকারের ১০০ দিনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় নেওয়া ৬০টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ৬২ শতাংশ বাস্তবায়িত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।
সোমবার বিকেলে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে সরকারের ১০০ দিন পূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
মাহদী আমিন বলেন, গুম-খুন, হামলা-মামলা ও দমন-পীড়নের দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের মন্ত্রিসভা ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৪ মে পর্যন্ত মোট ১০টি কেবিনেট সভা করেছে। এসব সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ৬০টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর মধ্যে ৩৭টি সিদ্ধান্ত, অর্থাৎ প্রায় ৬২ শতাংশ ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে এবং অবশিষ্ট ২৩টি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
তিনি বলেন, সরকার গঠনের পর এত স্বল্প সময়ে মন্ত্রিসভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের উল্লেখযোগ্য অংশ বাস্তবায়ন করা সরকারের দ্রুততা, কার্যকারিতা ও আন্তরিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের সফলতা তুলে ধরে মাহদী আমিন বলেন, জনগণের বিপুল ম্যান্ডেট নিয়ে গঠিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের মাত্র ১০০ দিনের পথচলায়ই দেশের নানা ক্ষেত্রে দৃশ্যমান, সুস্পষ্ট ও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি পরিলক্ষিত হয়েছে। একইসঙ্গে জনমনে সৃষ্টি হয়েছে ক্ষমতায়ন, আশা-আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশার এক নতুন, দৃঢ় ও ইতিবাচক মেলবন্ধন।
গৃহীত বহুমুখী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপের ফলে জনজীবনে স্বস্তি ও শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের রূপকল্পে দেশের ২০ কোটি মানুষ যদি একসঙ্গে কাজ করে, তরুণ ও নারীরা যদি ক্ষমতায়িত হন, ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশকে আমরা অবশ্যই একটি মর্যাদাশীল ও স্বনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত করতে সক্ষম হবো।
মাহদী আমিন বলেন, সরকার একদিকে মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে, যার প্রতিফলন গত ১০০ দিনের উদার ও সহিষ্ণুতার নতুন মানদণ্ডে বারবার প্রতীয়মান হয়েছে। অন্যদিকে বাকস্বাধীনতার নামে অপপ্রচার, বিদ্বেষ বা বিষেদগারের যে রাজনীতি একটি গোষ্ঠীর অপকৌশলে পরিণত হয়েছে, সেই চর্চা গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার সাথে সাংঘর্ষিক।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, নির্বাচিত সরকার বিশ্বাস করে, গণতন্ত্র সুসংহত করার পাশাপাশি রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো এমন নীতিগত সহায়তা প্রদান করা, যেখানে দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিক বৈষম্যহীনভাবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সমান সুযোগ পান এবং দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় অবদান রাখতে পারেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান এবং ১৬ বছরের গণতান্ত্রিক পথচলায় শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অঙ্গীকারবদ্ধ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত – এই সম্মিলিত শক্তিই দেশের অগ্রগতির মূল ভিত্তি। এ কারণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’
চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়ের পরে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।
এই ১০০ দিনে অনেক মানুষের সমস্যার সমাধান হয়েছে উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, প্রথম একশ দিনে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী দ্রুত দৃশ্যমান এবং কার্যকরী বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। খুব স্বল্প সময়ে তাতে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হচ্ছে, সমস্যার সমাধান হচ্ছে। খেটে খাওয়া তৃণমূলের মানুষ আরো বেশি স্বাবলম্বী ও স্বনির্ভর হয়ে উঠছেন।
হামের টিকা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মাহদী আমিন বলেন, আপনারা ইতোমধ্যে দেখেছেন, বিদেশ থেকে হামের টিকা আনা হয়েছে। গত তিন মাসে প্রায় শতভাগ শিশুকে হামের টিকা নিশ্চিত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সবাই মিলে যেন হাম থেকে শিশুদেরকে রক্ষা করতে পারি, সেই চেষ্টা করছি। এ লক্ষ্যে সব শিশুর জন্য দ্রুত টিকার প্রদান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সব ধরনের প্রচেষ্টা চলছে। সামনের দিনে যাতে এমন ঘটনা না ঘটে, সেজন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ চলমান রয়েছে।
অপতথ্যে চরিত্রহনন প্রসঙ্গে মাহদী আমিন বলে, ঐতিহ্যগতভাবে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময় বিএনপি সরকার সর্বোচ্চ বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিল, সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিএনপি সরকারও কিন্তু বাকস্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়েছে। দুঃখজনক হলেও সত্য অনেকেই সেই বাকস্বাধীনতাকে অপব্যবহার করছে। অশালীন আচরণ, অপপ্রচার কিংবা চরিত্রহনন করা- এগুলো কখনোই বাকস্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত না।
তিনি বলেন, আমরা যেমন ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে চাই, তেমনি প্রতিটি মানুষের সম্মান ও মর্যাদা সুরক্ষা দেওয়া সরকারের দায়িত্ব।
বাকস্বাধীনতার নামে অপপ্রচার রোধে আইনি সংস্কারে অংশীজনের সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে জানিয়ে মাহদী আমিন বলেন, বাকস্বাধীনতা নামে যে অপপ্রচার হচ্ছে, এটা নিয়ে তো আমরা সবাই কমবেশি অবগত রয়েছি। এর জন্য স্বাভাবিকভাবে কিছু আইনি সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। এগুলো নিয়ে হয়তো সামনের দিনগুলোতে অংশীজনদের সাথে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে সমন্বিত একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে এটি জনগণের দ্বারা ক্ষমতায়িত সরকার। জনগণ যদি প্রত্যাশা করে, জনগণের মতামতের ভিত্তিতে সেই ধরনের আইন আসবে। অবশ্যই সেই ধরনের আইন নিয়ে ভবিষ্যতে কাজ করা হবে। তবে কোনো আইন বিএনপি সরকার কখনোই চাপিয়ে দেয়নি। ঐতিহ্যগতভাবে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলনের মাধ্যমে সেটি সম্পন্ন হয়েছে। সুতরাং জনগণের সরকার হিসেবে ভবিষ্যতে এ নিয়ে যদি অংশীজনের সাথে আলাপ-আলোচনা করতে হয়, সেভাবেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে এখন পর্যন্ত সরকারের মাত্র তিন মাস সময় হলো, এ বিষয়ে সেভাবে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।
সাগর-রুনি হত্যার বিচার নিয়ে সরকারের অগ্রাধিকার প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মাহদী আমিন বলেন, এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে কথা বলেছেন। সরকারের অংশীদার হিসেবে আমরা সবাই মনে করি, অবশ্যই সাগর-রুনি হত্যার বিচার হওয়া উচিৎ। এটা আমাদের অগ্রাধিকার। এটা আমরা নির্বাচনের সময়েও বলেছি, এখনো বলছি। আমার ধারণা সামনের দিনগুলোতে এ বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চয়ই আপনারা দেখতে পারবেন।
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি প্রসঙ্গে মাহদী আমিন বলেন, ‘যেকোনো মৃত্যুই অত্যন্ত দুঃখজনক। দায়িত্বশীল সরকার হিসেবে আমাদের সর্বোচ্চ প্রাধান্যই থাকবে নিরাপদে যার যার এলাকায় যেতে পারেন এবং পরিবারের সাথে সুন্দরভাবে ঈদ করতে পারেন। সেজন্য ট্রেনের সংখ্যা ও নারীদের জন্য আলাদা বগির সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মাহদী আমিন বলেন, সরকারের ১০০ দিনের কর্মসূচির মধ্যে শ্রমবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে দেশব্যাপী শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার, ঈদের আগে বেতন-ভাতা ও ঈদ বোনাস পরিশোধ নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া হজযাত্রীদের বিমানভাড়া কমানো হয়েছে। বাণিজ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন গতি আনতে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত ইকোনমিক করিডোর বাস্তবায়নের প্রস্তুতি শুরু করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আগামী ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালু, বিমানবন্দর ও ট্রেনে হাই-স্পিড ফ্রি ওয়াই-ফাই চালুর মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর সেবা সম্প্রসারণ, স্বাস্থ্য খাতে পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ, শিশু রামিসার হত্যাকারীর বিচার দ্রুত করার উদ্যোগ ও বাংলাদেশি পাসপোর্টে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হবে।
তিনি বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করা, আর্থিক খাত, ব্যাংকিং ও সামগ্রিক রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কারের মাধ্যমে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে। বহুল আলোচিত এস আলম গ্রুপের ৪ হাজার ২৬৪ কোটি টাকার স্থাবর সম্পদ সফলভাবে জব্দ করা, ৯০ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে ১০টি দেশের মধ্যে ৩টি দেশের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর এবং বাকি দেশগুলোর সঙ্গে চুক্তির প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায় নিয়ে আসা, সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি এবং রপ্তানি আয়ের ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি এবং প্রায় দুই লাখ ফ্রিল্যান্সারকে রাষ্ট্রীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়াও বন্ধ কলকারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ, সংসদ কার্যকর করা, জ্বালানি সাশ্রয় ও পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ইলেকট্রিক বাস চালুর উদ্যোগ গ্রহণ প্রভৃতি পদক্ষেপ তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, আসুন, আমরা সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে গড়ে তুলি একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও স্বচ্ছল বাংলাদেশ, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা নিজেদের ও পরিবারের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাই, সমস্যার সমাধান করি এবং উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিয়ে যাই। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে ধারণ করে আমাদেরকে একই সঙ্গে দেশ ও জনগণের স্বার্থ, দেশের সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের সর্বাঙ্গীণ কল্যাণকে গুরুত্ব দিতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনির সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার এস এ এম মাহফুজুর রহমান, ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি মোস্তফা জুলফিকার হাসান, মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ), শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীনসহ প্রেস উইংয়ের অন্যান্য সদস্যরা।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com