বাংলা হেডলাইনসঃ যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক কাজী আনিসুর রহমানকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য শুক্রবার দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
যুবলীগের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম প্রেসিডিয়ামের এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়। দলের বঙ্গবন্ধু এভিনিউের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সকালে এই সভা মূলত যুবলীগের আসন্ন ২৩ নভেম্বর জাতীয় সম্মেলন ও কাউন্সিল নিয়ে আলোচনা হয়। এই সভায় যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী উপস্থিত ছিল না।
সভা শেষে যুবলীগ প্রেসিডিয়াম মেম্বার শেখ আতিউর রহমান দিপু সাংবাদিকদের জানান প্রেসিডিয়াম সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে কাজী আনিসকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে।
জানা গেছে দপ্তর সম্পাদক কাজী আনিস প্রভাবশালী নেতাদের যোগসাজশে বিপুল পরিমাণ টাকার বিনিময়ে যুবলীগের বিভিন্নস্তরের কমিটিতে ‘বিতর্কিত’ এবং ‘অরাজনৈতিক’ ব্যাক্তিদের স্থান দিত।
যুবলীগ প্রেসিডিয়াম মেম্বারা বলেন যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুকের ব্যাপারে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা সিদ্ধান্ত নেবেন।
সম্প্রতি অবৈধ ক্যাসিনো ব্যাবসা বিরোধী অভিযানের পর ওমর ফারুকের ব্যাংক হিসাব তলব ও তার বিদেশ যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
অবৈধ ক্যাসিনো ব্যাবসার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদকে সেপ্টেম্বর ১৮ তারিখে র্যাব গ্রেফতার করে এবং পরবর্তীতে যুবলীগ থেকে খালেদকে বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তীতে একইভাবে ক্যাসিনো ব্যাবসা, চাঁদাবাজি, দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে যুবলীগ দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল হোসেন সম্রাট, সহসভাপতি এনামুল হক আরমানকে র্যাব গ্রেফতারের পর দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। একই কারণে যুবলীগ নেতা জি কে শামীমকে গ্রেফতারের পর দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।