বাংলা হেডলাইনস কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর সোনাহাট স্থলবন্দরগামী এ্যাপ্রোচ সড়কটির সোনাহাট ব্রিজ থেকে স্থলবন্দর পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার রাস্তার বেহাল অবস্থা।
এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে বাংলাদেশ ও ভারতের পণ্য আমদানি-রপ্তানিকারকরা।
দেশের ১৮তম স্থলবন্দটির সড়ক সংস্কারে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মোজাহার এন্টার প্রাইজ প্রা: লি: এর ধীরগতি ও অনিয়মের কারণে ভরা বর্ষায় খানা-খন্দে ভরে গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
সরেজমিনে গিয়েও রাস্তার এই বেহাল দশা দেখা গেছে। বন্দর ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, সড়ক সংস্কারে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ধীর গতি ও চরম গাফিলাতির কারণে স্থলবন্দরগামী সড়কের বিভিন্ন স্থানে তৈরী হয়েছে বড় বড় গর্ত ।
একটু বৃষ্টি হলেই
পণ্যবাহী ট্রাক গর্তে ফেসে যাচ্ছে। এতে বিকল হয়ে যাচ্ছে পণ্যবাহী ট্রাক।
তারা আরো জানায়, স্থলবন্দরগামী এই সড়কে প্রতিদিন প্রায় ২০০ ভারতীয় গাড়ি বাংলাদেশে প্রবেশ করত কিন্তু রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে গাড়ী আসছে ২০ থেকে ৩০টি।
এতে একদিকে যেমন রাজস্ব
হারাচ্ছে সরকার অপরদিকে বন্দর ব্যবসায়ীদের লোকসানের
পাল্লাও ভারী হচ্ছে।
ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভার আবুল হোসেন ও খলিল শেখ বলেন, পণ্য বোঝাই ট্রাক কাদা কিংবা খানা-খন্দে ফেঁসে গেলে গাড়ি অনেক যন্ত্রপাতি বিকল ও ভেঙ্গে যায়, এগুলো মেরামত করতে দুই চার দিন সময় লেগে যায়।
ফলে আমরা বাংলাদেশে
ট্রাক নিয়ে আসার আগ্রহ হারিয়ে ফেলছি।
আমদানি ও রপ্তানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক
বলেন, ঠিকাদারি
প্রতিষ্ঠান ও কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণে সড়কের
এই অবস্থা আমরা বারবার সংশ্লিষ্টদের অবগত করলেও তারা কোন
ব্যবস্থা নেননি।
বন্দর ট্রাফিক ইন্সপেক্টর কিবরিয়া জলিল তুহিন এ প্রসঙ্গে বলেন, বর্তমানে সংক্ষুদ্ধ আসাম বেল্টের কারণে এ বন্দরটি বেশিরভাগ সময়ই বন্ধ থাকে।
উপরোন্তু সড়ক খারাপ হওয়ার কারণে প্রতিদিন প্রায় ৮ থেকে ১০টি গাড়ী খানাখন্দে ফেসে যাওয়ায় ভারত থেকে গাড়ি কম আসছে। এতে বন্দর ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।
কুড়িগ্রাম
সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আলী নুরায়ইন এর কাছে সোনাহাট স্থলবন্দরগামী
সড়কটির ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমি অবগত হয়ে
ঠিকাদারের সাথে কথা বলেছি তারা শীঘ্রই বন্দরগামী সড়কটির কাজ শুরু করবে
বলে জানিয়েছে।