বাংলা হেডলাইনস টাঙ্গাইল : প্রতিবেশী দাদা ও চাচা মিলে চতুর্থ শ্রেণি পড়ুয়া এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ স্বীকার করেছে।
ধর্ষণের আসামী প্রতিবেশী দাদা মোস্তফা আজ শুক্রবার বিকেলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
টাঙ্গাইল কোর্ট ইন্সপেক্টর তানভীর আহমেদ জানান, আসামী মোস্তফাকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ফারজানা হাসানাতের কোর্টে উপস্থাপন করা হয় । এসময় আসামী ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন ।
এছাড়াও একই কোর্টে ভিকটিমের ২২ ধারায় জবানবন্দী গ্রহণ করা হয় ।
এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করার পর বৃহস্পতিবার শিশুটির প্রতিবেশী দাদা গোলাম মোস্তফাকে (৫০) গ্রেফতার করে পুলিশ।
আর প্রতিবেশী চাচা ইসমাইল (৪০) পলাতক রয়েছেন। ঘটনাটি ঘটে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে।
ভূঞাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মো. রাশিদুল ইসলাম জানান, ৫ অক্টোবর ওই শিক্ষার্থীকে প্রতিবেশী দাদা মোস্তফা ও চাচা ইসমাইল কাজের কথা বলে ঘরে ডেকে নেন। এরপর দুইজনে মিলে সংঘবদ্ধভাবে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। পরে বিষয়টি কাউকে জানালে মেয়েটিকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় তারা।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) মেয়েটি পেটে ব্যথা অনুভব করলে ধর্ষণের ঘটনাটি তার মাকে জানায়।
এরপর তার বাবা আব্দুল কুদ্দুস বাদী হয়ে দুপুরে থানায় দুইজনকে আসামি করে অভিযোগ দায়ের করেন। পরে পুলিশ অর্জুনা ইউনিয়নের চরাঞ্চল বাসুদেবকোল এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রতিবেশী দাদা মোস্তফাকে গ্রেফতার করে।