শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৩০ অপরাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
বিরোধী দলের ওয়াকআউটকে বাহানা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে বাধা সৃষ্টির মানসিকতা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিন ‘অদক্ষতা, অব্যবস্থাপনার’ দৃষ্টান্ত: এনসিপি বঙ্গভবনে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির কার্যক্রম শুরু ২৪-এর আন্দোলন ছিল যুদ্ধের রিহার্সেল: জামায়াত আমির মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন মির্জা ফখরুল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রিজভী

করোনায় বন্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধান ব্যবসায়ীর গোডাউন

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৬ আগস্ট, ২০২১
  • ২৩০ দেখা হয়েছে

বাংলা হেডলাইনস কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: করোনা মহামারীর কারণে প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে দীর্ঘ সময় ধরে।এ সুযোগ নিয়ে কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার সাতদরগাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কয়েকটি ক্লাসরুম এখন স্থানীয় ধান ব্যবসায়ীদের দখলে রয়েছে।

শুধু তাই নয় রীতিমত ক্লাসরুম এখন গোডাউনে পরিণত হয়েছে।তাছাড়া ওইসব ক্লাসরুমে ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন দাড়িপাল্লা কিংবা ধান পরিমাপক মিটার দিয়ে ধান পরিমাপও করছেন। দেখলে মনে হয় স্কুল ঘর হচ্ছে ধান ব্যবসায়িক কেন্দ্র।

তবে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দ্রুত এগুলো সরিয়ে দেয়ার কথা জানান।

সরেজমিনে জানা গেছে, উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের সাতদরগাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিনটি ক্লাসরুমে শিক্ষার্থীদের বসার বেঞ্চগুলো এক পাশে একটির পর একটি রেখে সেখানে ধান গুদামজাত করা হয়েছে।

জানা গেছে,করোনাকালীন সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার সুযোগে ওই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নজরুল ইসলামের ভাগিনা ধান ব্যাবসায়ী কামরুজ্জামান নিজের ব্যবসার ধান সেখানে রেখেছেন।ব্যবহার করছেন তার ব্যবসায়িক ধান সংরক্ষণের জন্য বিদ্যালয়ের ক্লাসরুম।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান এ ঘটনা জানেন না বলে দাবি করলেও তা সরানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান।

তিনি বলেন,বিষয়টি আমার জানা ছিল না। শারীরিক অসুস্থ্যতার জন্য আমি বেশ কিছুদিন যাবত বিদ্যালয়ে যেতে পারিনি।তবে তিনি ধানগুলো অস্থায়ীভাবে শুকানোর জন্য বৃষ্টি এলে স্কুল ঘরে রাখার ব্যাপারে শুনেছেন বলে জানান।

এলাকাবাসীদের অভিযোগ, বেশ কিছুদিন যাবত বিদ্যালয়ের ক্লাসরুমে ধান গুদামজাত করে  বিক্রি করে আসছেন ধান ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান। এমনকি তিনি সেখানে ধান ওজন করে কেনা বেচাও করেন বলে অভিযোগ করা হয়।

এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো.শহীদুল ইসলাম জানান,করোনাকালীন সময় বিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও সরকারি নির্দেশানুযায়ী বিদ্যালয় খোলার জন্য সার্বক্ষণিক প্রস্তুতি রাখতে সকল প্রধানদের বলা হয়েছে।

এরপরও বিদ্যালয়ের ক্লাসরুমে ধান মজুদ রাখতে দেয়া সম্পূর্ণ দায়িত্বে অবহেলার শামিল।সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষককে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে কারণ দর্শানোর জন্য বলা হয়েছে। 

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com