বাংলা হেডলাইনস বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ার ১০ উপজেলায় ৩৫৪টি ভুমি ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর বিতরণ করা হয়েছে। নন্দীগ্রাম ও দুপচাঁচিয়া উপজেলাকে ভূমি ও গৃহহীনমুক্ত উপজেলা ঘোষণা করা হয়।
বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের অন্যান্য স্থানের মত ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঘরগুলো হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। জেলা প্রশাসক জিয়াউল হক দুপচাঁচিয়ার সুবিধাভোগীদের হাতে জমির দলিল হস্তান্তর করেন।
এ সময় বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) আব্দুর রশিদ, দুপচাঁচিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল হক, উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা সুমন জিহাদী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সারিয়াকান্দিতে উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল করিম মন্টু, নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাউল করিম, পৌর মেয়র মতিউর রহমান, বগুড়া সদরে উপজেলা চেয়ারম্যান আবু সুফিয়ান শফিক, নির্বাহী কর্মকর্তা সমর কুমার পাল, ভাইস চেয়ারম্যান ডালিয়া খাতুন রিক্তা, গাবতলীতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মাসুম আলী বেগ, শিবগঞ্জে উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ রিজু, নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে কুলসুম সম্পা প্রমুখ দলিল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মাসুম আলী বেগ জানান, হস্তান্তর করা ৩৫৪টি ঘরের মধ্যে আদমদীঘিতে ৩০টি, সদরে ৩৫টি, দুপচাঁচিয়ায় ১০টি, কাহালুতে ১২টি, নন্দীগ্রামে ৪০টি, সারিয়াকান্দিতে ১১৫টি, শাজাহানপুরে ৩৫টি, শেরপুরে ৪৫টি, শিবগঞ্জে ছয়টি ও সোনাতলায় ২৬টি।
বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্র জানায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে আশ্রায়ন প্রকল্পের আওতায় সরকার ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছে। এর আওতায় এ জেলায় মোট চার হাজার ৭৪টি পরিবারের জন্য ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
প্রথম পর্যায়ে ২০২১ সালের জানুয়ারিতে ঘর পেয়েছে, এক হাজার ৪৫২টি পরিবার। দ্বিতীয় পর্যায়ে একই বছরের জুনে ঘর দেওয়া হয়েছে, ৮৫৭টি। তৃতীয় পর্যায়ে চলতি বছরের ২৬ এপ্রিল হস্তান্তর করা হয়েছে, ৯৩০টি ঘর।
সর্বশেষ বৃহস্পতিবার ২১ জুলাই তৃতীয় পর্যায়ের দ্বিতীয় ধাপে ৩৫৪টি ঘর হস্তান্তর করা হলো। এদিকে জেলায় এখনও ৪৮১টি গৃহ ও ভূমিহীন পরিবারের তালিকা রয়েছে। তাদের জন্য ঘর নির্মাণ প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে বগুড়া জেলাকে ভূমি ও গৃহহীনমুক্ত হিসেবে ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।