শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৮ পূর্বাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
দুদকের অনুসন্ধান নিয়ে প্রশ্ন আসিফ মাহমুদের শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে সরকারের কোনো দ্বিধা নেই:উপদেষ্টা জাহেদ ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানের আহ্বান রাষ্ট্রপতির সাইফুর রহমানের মৃত্যুতে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন রিজভী ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : নির্বাচন কমিশনার সংঘাত এড়িয়ে সমঝোতার রাজনীতির আহ্বান রাষ্ট্রপতির সংকটে কিছু রাজনৈতিক দল অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী প্রস্তুত থাকুন, বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক আসবে: জামায়াত আমির রাজপথে হুমকি নয়, সংসদে গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে পরামর্শ দিন : রিজভী লংমার্চে বাধা দিলে জনরোষের মুখে পড়তে পারে সরকার: গোলাম পরওয়ার

আত্মহত্যার প্ররোচণার দায়ে নওগাঁয় যুবকের ৭ বছরের কারাদণ্ড

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২২
  • ২৫৪ দেখা হয়েছে

সাজ্জাদুল তুহিন, বাংলা হেডলাইনস নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর বদলগাছীতে এক তরুণী আত্মহত্যা করবার ১৪ বছর পর আদালত বকুল হোসেন (৩৮) নামে এক যুবককে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে সাত বছর সশ্রম কারাদন্ড দেন।

একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) নওগাঁর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-২ এর বিচারক মেহেদী হাসান তালুকদার এই রায় দেন। রায়ের সময় আসামি বকুল হোসেন আদালতে হাজির ছিলেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালের ৭ জুন বদলগাছী উপজেলার গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা ও গোবরচাপা কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী নাজমা আক্তারকে (১৭) বাড়ির পাশে আম বাগানে একা পেয়ে একই গ্রামের বাসিন্দা বকুল হোসেন শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। ওই ঘটনার তিন দিন পর বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে নাজমা বিষ পানে আত্মহত্যা করেন।

এ ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে ২০০৭ সালের ১৫ জুন নাজমার বড় ভাই আমেদুল ইসলাম বকুল হোসেন, তার বাবা মকবুল হোসেন, মা জান্নাতুন নেছা ও পিন্টু মিয়া নামে অপর এক যুবকের বিরদ্ধে আদালতে মামলার আর্জি করেন। আদালত আর্জিটি আমলে নিয়ে বদলগাছী থানা পুলিশকে অভিযোগটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণ করে তদন্তের নির্দেশ দেন।

তদন্তে বকুল হোসেনের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২০০৯ সালের ১৩ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০-এর ৯ (ক) ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগ গঠনের মতো পর্যাপ্ত উপাদান বিদ্যমান না থাকায় বকুলের বাবা মকবুল, মা জান্নাতুন নেছা ও পিন্টু মিয়াকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সন্দেহাতীতভাবে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০-এর ৯ (ক) এর ৩০ ধারায় আসামি বকুল হোসেনকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে তাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ভোগ করতে হবে।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নওগাঁ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর সরকারি কৌঁসুলি মকবুল হোসেন।

অন্যদিকে রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবী প্রকাশ চন্দ্র মন্ডল বলেন, ‘এই রায়ে যুক্তির চেয়ে আবেগকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। আমার মক্কেল সঠিক বিচার পাননি। এই রায়ের বিরুদ্ধে আমরা আপিল করব।’

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com