বাংলা হেডলাইনস: দেশে টানা ১৬২ দিন শনিবার করোনাভাইরাস রোগে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে কোনো মৃত্যু হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ৩রা জানুয়ারি সকাল ৮টা থেকে ৪ঠা জানুয়ারি শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত
বাংলা হেডলাইনস: দেশে টানা ১৬১ দিন শুক্রবার করোনাভাইরাস রোগে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে কোনো মৃত্যু হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ২রা জানুয়ারি সকাল ৮টা থেকে ৩রা জানুয়ারি শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত
বাংলা হেডলাইনস: দেশে টানা ১৬০ দিন বৃহস্পতিবার করোনাভাইরাস রোগে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে কোনো মৃত্যু হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ১লা জানুয়ারি সকাল ৮টা থেকে ২রা জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত
বাংলা হেডলাইনস: দেশে টানা ১৫৯ দিন বুধবার করোনাভাইরাস রোগে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে কোনো মৃত্যু হয়নি। সাম্প্রতিক সময়ে সংক্রমণের হার সর্বোচ্চ রেকর্ড করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ৩১শে ডিসেম্বর সকাল
বাংলা হেডলাইনস: দেশে টানা ১৫৮ দিন মঙ্গলবার করোনাভাইরাস রোগে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে কোনো মৃত্যু হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ৩০শে ডিসেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৩১শে ডিসেম্বর মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত
বাংলা হেডলাইনস: দেশে টানা ১৫৭ দিন সোমবার করোনাভাইরাস রোগে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে কোনো মৃত্যু হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ২৯শে ডিসেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৩০শে ডিসেম্বর সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত
বাংলা হেডলাইনস: দেশে টানা ১৫৬ দিন রবিবার করোনাভাইরাস রোগে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে কোনো মৃত্যু হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ২৮শে ডিসেম্বর সকাল ৮টা থেকে ২৯শে ডিসেম্বর রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত
বাংলা হেডলাইনস: দেশে টানা ১৫৫ দিন শনিবার করোনাভাইরাস রোগে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে কোনো মৃত্যু হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ২৭শে ডিসেম্বর সকাল ৮টা থেকে ২৮শে ডিসেম্বর শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত
বাংলা হেডলাইনস: দেশে টানা ১৫৪ দিন শুক্রবার করোনাভাইরাস রোগে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে কোনো মৃত্যু হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ২৬শে ডিসেম্বর সকাল ৮টা থেকে ২৭শে ডিসেম্বর শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত
বাংলা হেডলাইনস: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, তরুণরা সংখ্যায় বেশি। দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে তারা আগ্রহী। নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে তার মতামত নেওয়ার জন্য আমি মনে করি ভোটার