জাতীয়তাবাদি ছাত্রদলের ৬ষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিল নিম্ন আদালত কতৃক স্থগিত করায় বিএনপি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ করেছে।
আগামীকাল শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিএনপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রদলের জাতীয় কাউন্সিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। ২৭ বছর পর কাউন্সিলররা প্রত্যক্ষ ভোটে ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত করার কথা। ১৯৯২ সালে ৫ম জাতীয় কাউন্সিলে ছাত্রদলের কাউন্সিলররা ভোটের মাধ্যমে সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত করে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন আজ শুক্রবার বলেন আগামীকাল ছাত্রদলের যে কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিলো, ‘গতকাল আদালতের নির্দেশে সেই কাউন্সিলটি স্থগিত করা হয়েছে’।
তিনি বলেন ‘কাউন্সিল- এটা হচ্ছে, আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। সেই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া আমরা চালু করতে না পারি সেজন্যে ছাত্র দলের কাউন্সিলের ওপর নিম্ন আদালত নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।’
‘’ছাত্র দলের কাউন্সিল হবে নিয়ম মেনে। ছাত্র দলের কাউন্সিল নির্ধারিত আছে। এখানে কোনো রকমের আদালতের এখতিয়ার ছিলো না।’ মোশাররফ মন্তব্য করেন।
বিএনপি নেতা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে স্বাধীনতা ফোরামের উদ্যোগে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন।
এদিকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্নমহাসচিব রুহুল কবির রিজভী গতকাল বৃহস্পতিবার দলের নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রায় রাত ১২ টায় সংবাদ সম্মেলনে বলেন ছাত্রদলের কাউন্সিল বন্ধ করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে বিএনপি। তিনি বলেন ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আমান উল্লাহ’র দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে ছাত্রদলের কাউন্সিল স্থগিতাদেশ সম্পূর্ণরুপে অযৌক্তিক। কারণ ছাত্রদলের সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আমান উল্লাহ আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ অনুষ্ঠিতব্য কাউন্সিলে প্রতিযোগী ছিলেন না এবং প্রতিযোগিতার জন্য আবেদন করেননি কিংবা তিনি কাউন্সিলরও নন। সুতরাং কোন বিচার বিশ্লেষণ ও যুক্তিতর্ক ছাড়া তার করা মামলার প্রেক্ষিতে ছাত্রদলের কাউন্সিল স্থগিতের আদেশ দেয়া গভীর চক্রান্তমূলক। সরকারের কারসাজিতেই এহেন আদেশ প্রদান করা হয়েছে। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে কাউন্সিলরদের মধ্যে যে উৎসাহ ও স্বত:স্ফুর্ততার স্ফুরণ সৃষ্টি হয়েছিল সেটিকে বানচাল করার জন্যই এই আদেশ।
রিজভী বলেন সুতরাং এই সরকার কোন প্রতিষ্ঠানেরই গণতান্ত্রিক চর্চাকে সহ্য করতে পারছে না। এরই বর্ধিত প্রকাশ ঘটলো ১৪ সেপ্টেম্বর ছাত্রদলের কাউন্সিলের ওপর আদালতকে দিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে।