বাংলা হেডলাইনস বগুড়া প্রতিনিধিঃবগুড়ার সারিয়াকান্দিতে শনিবার গভীর রাতে একটি দোকানে চুরির সময় দুই সহোদরসহ চার কিশোর ধরা পড়েছে। দোকান মালিক থানায় মামলা করলে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। সারিয়াকান্দি থানার ওসি আল আমিন এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। রোববার বিকালে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আদালত তাদের জেল সুপারের মাধ্যমে যশোরের পুলেরহাট শিশু-কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। গ্রেফতারকৃত কিশোররা হলো সারিয়াকান্দি উপজেলার দক্ষিণ হিন্দুকান্দি গ্রামের দুই সহোদর শাওন আহম্মেদ (১৬) ও সাজেদুল ইসলাম শানু (১৩), হিন্দুকান্দি গ্রামের শামিম আহম্মেদ (১৩) ও চর রামনগর গ্রামের জিহাদ ইসলাম (১৩)। শাওন সারিয়াকান্দি ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র, তার ভাই শানু স্থানীয় দাখিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র এবং জিহাদ ও শামিম সারিয়াকান্দি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র।
এজাহার সূত্র ও এলাকাবাসীরা জানান, চার কিশোর শনিবার রাত ৩টার দিকে সারিয়াকান্দি পৌর এলাকার থানা রোডে আবু তালেবের এসআর ঘড়ি ও চশমা ঘরে হানা দেয়। তারা টিনের বেড়া ভেঙ্গে দোকানে ঢুকে জিনিসপত্র চুরি করছিল। এ সময় নৈশ প্রহরি শহিদুল টের পেয়ে আশপাশের ব্যবসায়ীদের খবর দেন। তারা এসে শানু ও জিহাদকে হাতেনাতে আটক করেন। দোকান মালিক থানায় খবর দিলে এসআই নয়নের নেতৃত্বে ফোর্স এসে তাদের গ্রেফতার করেন। এরপর তাদের দেয়া তথ্য অনুসারে রাতেই চুরির ঘটনায় জড়িত শামিম ও শাওনকে গ্রেফতার করা হয়। এ ব্যাপারে ব্যবসায়ী আবু তালেব সারিয়াকান্দি থানায় চার কিশোরের বিরুদ্ধে মামলা করেন। থানার এসআই মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সম্প্রতি চুরির ঘটনা বৃদ্ধি পায়। কয়েকদিন আগে একটি দোকান থেকে ২৯টি মোবাইল ফোন চুরি হয়েছে। কর্মকর্তার ধারনা, এই কিশোর গ্যাং চুরির সাথে জড়িত থাকতে পারে। সারিয়াকান্দি থানার ওসি আল আমিন জানান, চুরির মামলায় গ্রেফতার চার কিশোরকে রোববার বিকালে বগুড়ার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। কোর্ট ইন্সপেক্টর আবুল কালাম আজাদ জানান, আদালত তাদের যশোরের শিশু-কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। বগুড়ার জেলের জেলার রফিকুল ইসলাম জানান, সোমবার তাদের সেখানে পাঠানো হবে।