বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১০:০১ পূর্বাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস ২০২৬-২৭ সালের প্রস্তাবিত বাজেট ‘জীবনবান্ধব’ : প্রধানমন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দুর্নীতি তদন্তে প্রধানমন্ত্রীকে নির্দেশনা দেওয়ার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিদেশী সব চুক্তি সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান জামায়াত আমীরের বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি : প্রধানমন্ত্রী চীন-মালয়েশিয়া সফর শেষে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই করের আওতায় আসছে মুদি দোকান, বিউটি পার্লার আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ কি না, সেটা নির্ধারিত হবে আদালতে: উপদেষ্টা জাহেদ

মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে প্রধান শিক্ষকের অবমাননাকর পোস্ট

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ৫৮৩ দেখা হয়েছে

বাংলা হেডলাইনস সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার একডালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ব্যাঙ্গাত্মক মন্তব্য, ফেসবুক পেজে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে অবমাননাকর পোষ্ট, শেয়ার, কমেন্ট করা, যৌন হয়রানি ও বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ফান্ডের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে সহকারি ৫ শিক্ষিকা রোববার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। এ অভিযোগের অনুলিপি সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক, দুর্নীতি দমন কমিশন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসার আপেল মাহমুদ অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি লিখিত অভিযোগের বরাত দিয়ে জানান, উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ৫জন সহকারী শিক্ষিকা চাকুরী করেন। এ ৫জন শিক্ষিকা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কোঠায় চাকুরী পান। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূর নবী প্রায়ই তাদের সাথে গল্পের ছলে যৌনবিষয়ক প্রসঙ্গ তুলে গল্প করার চেষ্টা করেন। মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ব্যাঙ্গাত্মক মন্তব্য, ফেসবুকে পেজে অবমাননাকর পোষ্ট, শেয়ার,কমেন্ট করে থাকেন। তিনি কোটা বিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন সময় তার ফেসবুক পেজে সরকার বিরোধী বিভিন্ন উস্কানীমূলক পোস্ট,শেয়ার কমেন্ট করে থাকেন। শিক্ষিকারা বোরকা পড়ে বিদ্যালয়ে আসার কারণে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন। এসব মন্তব্য থেকে বিরত থাকার জন্য বললেও ওই প্রধান শিক্ষক কর্ণপাত করেন না। এতে প্রায়ই তাদের বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়। প্রধান শিক্ষক মহামান্য হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিদ্যালয়ের শ্রেণী কক্ষে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রাইভেট পড়ান।এছাড়া প্রধান শিক্ষকের কাছে নৈমিত্তিক ও মাতৃত্বকালীন ছুটিসহ জরুরী প্রয়োজনে ছুটি চাইতে গেলে তিনি ছুটি না দিয়ে খারাপ আচরণ করেন। অথচ প্রধান শিক্ষক ছুটি না নিয়েই দিনের পর দিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকেন। এতে শিক্ষা কার্যক্রম দারুনভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রায় দুই বছর আগে ওই বিদ্যালয়ে নৈশপ্রহরী পদে নিয়োগের সময় একডালা গ্রামের মাঠপাড়ার শুহুর আলীর ছেলে স্বপন মিয়াকে চাকুরী দেয়ার আশ্বাস দিয়ে ৪লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণ করেন। পরে চাকুরী দিতে না পেরে কিছু টাকা ফেরত দিলেও বাকী টাকা দিতে নানা টালবাহানা করেন। এছাড়া, স্লিপ ফান্ড, প্রাক ও ক্ষুদ্র মেরামত প্রকল্পের বরাদ্দের টাকা যথাযথভাবে ব্যয় না করে ভুয়া ভাউচার তৈরির মাধ্যমে সে টাকা আত্মসাত করেন তিনি। বিদ্যালয়ের শিক্ষিকারা কেউ এ বিষয়ে কথা তুললে তাকে নানাভাবে হয়রাণি করা হয়। এদিকে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূর নবী এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন। বিদ্যালয়

ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এসএম সেলিম বলেন, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পর্কে অবগত নই। তবে একজন গর্ভবতী শিক্ষিকার ছুটি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছে এবং বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দিক মোহাম্মদ ইউসুফ রেজা বলেন, শিক্ষিকাদের লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। শীঘ্রই তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com