সম্প্রতি রাজধানী ঢাকায় র্যাবের অভিযানে বিভিন্ন ক্রীড়া ক্লাবের ও অন্যান্য অবৈধ ক্যাসিনোর ব্যবসা জনসম্মুখে প্রকাশ পাওয়ায় জনমনে বিভিন্ন প্রশ্নের জন্ম দেয়।
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিরোধীদল বিএনপি এই অবৈধ ক্যাসিনোর ব্যবসার যাত্রা শুরু হওয়ার ব্যাপারে পরস্পরকে দোষারোপ করছে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ধানমণ্ডিতে দলের সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে শুক্রবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন ঢাকাকে ক্যাসিনোর শহর বানিয়েছে বিএনপি।তাদের সময়ে এই ক্যাসিনোগুলো ছিল। ক্যাসিনোগুলোর ব্যাপারে বর্তমান সরকার সরকারের প্রথম বছরেই অ্যাকশন নিচ্ছে।এই অ্যাকশনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা জনগণের কাছে অনেক বেড়ে গিয়েছে।
এদিকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে অভিযোগ করেন ‘ঢাকা শহরে ৬০টি ক্যাসিনোর প্রত্যেকটি চালাচ্ছে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নেতারা।এখন নিজেরা ধরা পরে গেছে আবার অন্যকে দোষ ধরতে চায়’।
গতকাল বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের জানান আওয়ামী লীগ সরকার কোন ক্যাসিনোর অনুমতি দেয়নি।
গত বুধবার রাজধানীর বিভিন্ন ক্রীড়া ক্লাবের অবৈধ ক্যাসিনোতে র্যাব অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা,মদ উদ্ধার করে এবং ১৮২ জনকে আটক করে এবং র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত আটকৃতদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে।
ফকিরাপুলে ইয়াংমেনস ক্লাবের ক্যাসিনো,গুলিস্তানের বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্র ক্যাসিনো,আরামবাগে ঢাকা ওয়ান্ডারস ক্লাব ক্যাসিনো এবং বানানীর গোল্ডেন ঢাকা বাংলাদেশ ক্যাসিনোতে অভিযান চালিয়ে সিলগালা করে দেয়।
বুধবারেই যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ইয়াং মেনস ক্লাবের ক্যাসিনোর মালিক খালেদ মাহমুদ ভুঁইয়াকে র্যাব তার গুলশানের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে।