বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস ২০২৬-২৭ সালের প্রস্তাবিত বাজেট ‘জীবনবান্ধব’ : প্রধানমন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দুর্নীতি তদন্তে প্রধানমন্ত্রীকে নির্দেশনা দেওয়ার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিদেশী সব চুক্তি সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান জামায়াত আমীরের বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি : প্রধানমন্ত্রী চীন-মালয়েশিয়া সফর শেষে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই করের আওতায় আসছে মুদি দোকান, বিউটি পার্লার আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ কি না, সেটা নির্ধারিত হবে আদালতে: উপদেষ্টা জাহেদ

ইলিশ ধরার নিষিদ্ধ সময়ে কুড়িগ্রামের জেলেরা ২০ কেজি করে চাল পাবেন

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ৫৫৪ দেখা হয়েছে

 

বাংলা হেডলাইনস কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ ধরার নিষিদ্ধ সময়ে কুড়িগ্রামের জেলেদের জন্য প্রথমবারের মতো খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা কালিপদ রায় এ তথ্য জানিয়েছেন।

কুড়িগ্রাম জেলার মোট ৯টি উপজেলার মধ্যে ৬টি উপজেলা কুড়িগ্রাম সদর, উলিপুর, নাগেশ্বরী, চিলমারী, রৌমারী ও রাজীবপুর ইলিশ জোনের আওতায় আনা হয়েছে। ইলিশ জোনভূক্ত ওই ৬ উপজেলার মোট ৭ হাজার ৯৩৫ তালিকাভুক্ত ইলিশ জেলে থাকলেও খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৪ হাজার ৭৬১ জনকে। এরা ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ ২২ দিনের জন্য ২০ কেজি করে চাল পাবেন।

২০১৭ সাল থেকে কুড়িগ্রাম জেলাকে ইলিশ জোনভুক্ত এলাকার অন্তর্ভূক্ত করা হয়। গত দুই বছর ইলিশ ধরার নিষিদ্ধ সময়ে এলাকার তালিকাভুক্ত ইলিশ জেলেদের কোনও রকম খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়নি। এবারই প্রথম তাদেরকে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে সরকার।

আগামী ৯ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত সময়কে এ বছর ইলিশের প্রধান প্রজনন সময় ঘোষণা করা হয়েছে। এ সময় দেশের ইলিশ জোনভুক্ত জেলাগুলোতে ইলিশ শিকার, বিক্রি ও বিপণন নিষিদ্ধ করেছে সরকার।

এদিকে, আগামী ৯ অক্টোবর থেকে মা ইলিশ ধরার নিষিদ্ধ সময়ে জেলেদের সচেতন করতে আগামী ১ অক্টোবর থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত জেলার ইলিশ জোনভুক্ত উপজেলাগুলোর হাটবাজারে সচেতনতা মূলক মাইকিং করার ব্যবস্থা নিয়েছে জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়। এছাড়া, ৯-৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন সব নদ-নদীতে মৎস্য ধরা নিষিদ্ধসহ হাট-বাজারে ইলিশ বেচাকেনা ও বিনিময় নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা কালিপদ রায় জানান, ইলিশ ধরা নিষিদ্ধকালে মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে আওতাভুক্ত প্রতিটি উপজেলার জেলে পল্লীতে সচেতনতামূলক সভার আয়োজনসহ নদ-নদীতে অভিযান পরিচালনা করা হবে। এছাড়া, হাট-বাজারগুলোতে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।

জনবল ও নৌযান সংকটে অভিযান বাধাগ্রস্ত হতে পারে এমন আশঙ্কা করে তিনি আরও বলেন, ‘ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তা ও দুধকুমার নদের প্রায় ১৪৯ কিলোমিটার নৌপথ জুড়ে ইলিশ মাছের বিচরণ ক্ষেত্র। ইলিশ জোনভুক্ত ছয় উপজেলার তিনটি উপজেলায় মৎস্য কর্মকর্তার পদ শূন্য রয়েছে। নদ-নদীতে অভিযান পরিচালনা করার জন্য আমাদের নিজস্ব কোনও নৌযান নেই। অভিযান পরিচালনার জন্য এখনও কোনও বরাদ্দও পাওয়া যায়নি। তারপরও আমরা সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর।’

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com