বাংলা হেডলাইনসঃ বুয়েটের ক্যাম্পাসে গত কয়েক দিনের মত রবিবারের পরিবেশ ও চিত্র ছিল ভিন্ন। ছিল না কোন শ্লোগান, মিছিল বরং এক ধরনের শান্ত পরিবেশ বিরাজ করছিল। প্রশাসন ব্যাস্ত ছিল বুয়েটের হলগুলো থেকে বহিরাগত ও আছাত্রদের উচ্ছেদ করা ও সোমবার এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার যাবতীয় কর্মকাণ্ডে।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের ২য় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদের হত্যার বিচারের দাবিসহ ১০ দফা দাবি নিয়ে আন্দোলনরত বুয়েটের শিক্ষার্থীরা শনিবার তাদের লাগাতার আন্দোলন রবিবার ও সোমবার শিথিলের ঘোষণা দেয়। কারন হিসেবে আন্দোলনকারীরা বলেছে যে তারা ১২ হাজার বুয়েটে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষায় ভোগান্তির কথা বিবেচনায় আনার পাশাপাশি তাদের দাবিসমূহের বাস্তবায়ন তাদের সামনে দৃশ্যমান শুরু হয়েছে ও শিক্ষকদের প্রতি তারা আস্থা রাখছে।
বুয়েটের ছাত্রকল্যাণ বিষয়ক পরিচালক মিজানুর রহমান রবিবার বলেন ৮০ থেকে ৯০ পার্সেন্ট অবৈধ ছাত্র যারা ছিল তাদেরকে আমরা উচ্ছেদ করতে পেরেছে এবং বাকী যে গুলো আছে সেগুলোও হয়তো আজকের (রবিবারের) মধ্যেই উচ্ছেদ করতে পারবো। বুয়েটে প্রশাসন শনিবার থেকে হলে আছাত্র ও বহিরাগত উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে।
বুয়েটের উপাচার্য সাইফুল ইসলাম রবিবার বলেন যে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন সব হলগুলোতে রেইড দিতে। আমরা আশা করছি যে এই সুযোগে সব হলগুলো পরিষ্কার করতে সক্ষম হবো।
শিক্ষার্থীরা বলছে তারা প্রশাসনের অভিযান ও কার্যক্রমে সন্তুষ্ট এবং আশা প্রকাশ করে এই অভিযান যেন অব্যাহত থাকে। একজন ছাত্র সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলে দুইটা হলে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে।
অক্টোবর ৭ থেকে বুয়েটের শিক্ষার্থীরা আবরার ফাহাদ হত্যার বিচাররে দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। অক্টোবর ৭ ভোর রাতে আবরারের লাশ বিশ্ববিদ্যালয়টির শেরে বাংলা হলের সিঁড়িতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পোস্টমর্টেম রিপোর্টে বলা হয় আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।