শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০২ অপরাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রিজভী মির্জা ফখরুল বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত নির্বাচন কমিশন প্রস্তুত।। আজ সংসদে রাষ্ট্রপতি পদে ভোট নারীদের জন্য পিংক বাস সার্ভিস উদ্বোধন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে ।। জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী উন্নতিতে আরও সময় লাগবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিদ্যুৎ-গ্যাস সমস্যা সমাধানে সর্বনিম্ন ২ বছর লাগবে: অর্থমন্ত্রী খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ভাগ্যের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিলেন: মির্জা ফখরুল বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে রিজভী-আমানসহ ৪ নতুন সদস্য তারেক রহমান আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে যেতে পারেন শিপইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত করে ব্যবস্থা: অর্থমন্ত্রী

বগুড়া বারের সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৭৭৯ দেখা হয়েছে

বাংলা হেডলাইনস বগুড়া প্রতিনিধিঃ বগুড়া  বার সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক একেএম সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে বারের বিভিন্ন কাজে পাঁচ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ সভায় তাকে কারণ দর্শানো নোটিশ, দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকাসহ বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। দূর্নীতির ঘটনায় বারের সদস্যদের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এনিয়ে সমিতিতে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

বগুড়া  বার সমিতির নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট একেএম সাইফুল ইসলাম ২০১৮ সালে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় তিনি বার ভবনের সামনে প্রবেশ পথে টিনের ছাউনি নির্মাণ, ড্রেনের স্লাব, লাইব্রেরিতে বিদ্যুতের কাজ, সিমেন্ট ক্রয়, বৈদ্যুতিক ডাবল লাইনের সংযোগ ও অন্যান্য কাজ করেন। এসব কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠে। অডিটে ত্রুটি ধরা পড়লে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। ওই তদন্ত রিপোর্টে সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে ৫ লাখ ২৬ হাজার ৭২২ টাকা আত্মসাতের ঘটনা ধরা পড়ে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার ক্রয় দেখানো হলেও নেসকো এর বিনিময়ে কোন টাকা নেয়নি।

গত ৫ নভেম্বর মঙ্গলবার গওহর আলী ভবনে বার সমিতির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বার সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে গোলাম ফারুক, আবদুল বাছেদ, আশেকুর রহমান সুজন, মিশকাতুল আলম চিশতি, শের আলী, নরেশ মুখার্জ্জী, এএইচএম গোলাম রব্বানী খান রোমান, ফজলুল বারী ইন্টু, আতাউর রহমান খান মুক্তা প্রমূখ বক্তব্য রাখেন। আলোচনা শেষে সভাপতির বক্তব্যে আতাউর রহমান সাধারণ সম্পাদক একেএম সাইফুল ইসলামের দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরেন। সর্বসম্মতিতে ২০১৮ সালে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে থাকা একেএম সাইফুল ইসলামকে কারণ দর্শানো নোটিশ প্রদান তার কল্যাণ তহবিল থেকে হতে আত্মসাতকৃত টাকা কর্তন করে জমা রাখা ও তার বিরুদ্ধে বারের সংবিধান অনুসারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এছাড়াও আগামী নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত তাকে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন হতে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাকারিয়া সুজনকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেয়া হয়।

ফোন না ধরায় এ ব্যাপারে জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও বার সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট একেএম সাইফুল ইসলামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তিনি অন্য সাংবাদিকদের কাছে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ দৃঢতার সাথে অস্বীকার করে বলেছেন, সাধারণ সভায় বক্তব্য দিতে না দেয়ায় ওয়াক আউট করেছেন। তিনি কারণ দর্শানো নোটিশের জবাব দিবেন। বার সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আতাউর রতমান জানান, সাধারণ সভায় ৪৫০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে উল্লিখিত সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে তিনি এ ব্যাপারে কোন মন্তব্য করবেন না বলে জানিয়েছেন।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com