বাংলা হেডলাইনস বগুরাঃ ঢাকা ছেড়ে আসা লালমনিরহাটগামী আন্ত:নগর লালমনি এক্সপ্রেসে জন্ম নেয়া শিশু ও তার মা ভালো আছেন। বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে তারা চিকিৎসা নিচ্ছেন। হাসপাতালের সহকারি পরিচালক ডা. আবদুল ওয়াদুদ জানান, বুধবার তাদের ছেড়ে দেয়া হতে পারে।
জানা গেছে, লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের ছকমল মিয়া ঢাকায় নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করেন। স্ত্রী নবিয়া বেগম ১০ মাসের অন্ত:স্বত্ত্বা। তিনি স্ত্রীকে নিয়ে রোববার রাত ১১টার দিকে লালমনিরহাটগামী আন্ত:নগর লালমনি এক্সপ্রেসে উঠেন। মধ্য রাতে ট্রেন পাবনার ঈশ্বরদী এলাকায় পৌঁছলে প্রসব ব্যথা উঠে। এক পর্যায়ে তিনি একটি ফুটফুটে শিশু প্রসব করেন। এ সময় অন্যযাত্রীরা টের পেয়ে নাড়ি কাটা ও অন্যান্য প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। যাত্রীরাই শিশুর নাম রাখেন ইব্রাহিম। সোমবার সকাল ৭টায় ট্রেন বগুড়া স্টেশনে পৌঁছে। তখন নবিয়া বেগম যন্ত্রণায় কান্নাকাটি করছিলেন। তখন স্টেশনের কর্মী সাগর মাহমুদ ‘৯৯৯’ নম্বরে ফোন দেন। কিছুক্ষণের মধ্যে বগুড়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার বজলুর রশিদের নেতৃত্বে কর্মীরা ছুটে আসেন। সন্তানসহ প্রসুতিকে উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করেন।
বগুড়ার সহকারি স্টেশন মাস্টার আবদুল্লাহ জানান, ট্রেনে শিশু জন্ম নেয়া বিরল ঘটনা। মঙ্গলবার সকালে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. আবদুল ওয়াদুদ জানান, মা ও শিশু তাদের প্রসূতি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তাদের অবস্থা উন্নতির দিকে। বুধবার তাদের ছেড়ে দেয়া হবে। নির্মাণ শ্রমিক ছকমল মিয়া আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া জ্ঞাপন করেছেন।