রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩৯ অপরাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন মির্জা ফখরুল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রিজভী মির্জা ফখরুল বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত নির্বাচন কমিশন প্রস্তুত।। আজ সংসদে রাষ্ট্রপতি পদে ভোট নারীদের জন্য পিংক বাস সার্ভিস উদ্বোধন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে ।। জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী উন্নতিতে আরও সময় লাগবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিদ্যুৎ-গ্যাস সমস্যা সমাধানে সর্বনিম্ন ২ বছর লাগবে: অর্থমন্ত্রী খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ভাগ্যের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিলেন: মির্জা ফখরুল বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে রিজভী-আমানসহ ৪ নতুন সদস্য

হলি আর্টিজান হামলায় সাজাপ্রাপ্ত বগুড়ার রিগেন-রিপনের পরিবার

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৭৫৪ দেখা হয়েছে

বাংলা হেডলাইনস বগুড়াঃ ঢাকার  হলি আর্টিজান বেকারির হামলায় অংশ নেয়া জঙ্গিদের মধ্যে চারজনের বাড়ি বগুড়া শহর ও বিভিন্ন উপজেলায়। এদের মধ্যে দু’জন  মারা যায় এবং বুধবার ঘোষিত রায়ে দু’জনের ফাঁসির আদেশ হয়েছে। রাকিবুল হাসান রিগেনের পরিবার বাড়িতে নেই এবং মামুনুর রশিদ রিপনের মা ও ভাই ঢাকায় রায় শুনতে গেছেন বলে শোনা যাচ্ছে।

জানা গেছে, সাজাপ্রাপ্ত রাকিবুল হাসান রিগেন বগুড়া শহরের ইসলামপুর হরিগাড়ি গ্রামের মৃত ঠিকাদার রেজাউল হকের ছেলে। তার মা রোকেয়া আকতার নন্দীগ্রাম উপজেলার বিজরুল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র স্টাফ নার্স। তারা শহরের জামিলনগর এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। বুধবার রায় ঘোষণার পর বাড়িতে গিয়ে রিগেনের মাকে পাওয়া যায়নি। প্রতিবেশীরা তার সম্পর্কে কিছু বলতে পারেননি। তবে তাদের ধারনা, রায়ের কারণে তিনি ঢাকা গেছেন।

গত ২০১৬ সালের ৬ জুলাই ভোরে ঢাকার কল্যাণপুরের একটি জঙ্গি ঘাঁটিতে পুলিশের স্টর্ম টোয়েন্টি সিক্স অভিযানে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় রিগেন গ্রেফতার হয়। এর এক বছর আগে বগুড়া শহরে জলেশ্বরীতলায় শিবির পরিচালিত রেটিনা কোচিং সেন্টারে যাবার নামে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। রিগেন নব্য জেএমবির প্রশিক্ষক ও অর্থ লেনদেনের সাথে দায়িত্বে ছিল।

মামুনুর রশিদ রিপন বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার শেখের মাড়িয়া গ্রামের মৃত নাসির উদ্দিনের ছেলে। স্থানীয় আঁচলতা মাদরাসা থেকে পঞ্চম শ্রেণি পাশ করে। ২০০৯ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের দারুস হাদিস মাদ্রাসা থেকে দাওরায়ে হাদিস পাশ করে। এরপর বগুড়া শহরে সাইবারটেক নামে একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি নেয়। রিপনের ভাবী সাহেরা বেগম জানান, ২০১৫ সাল থেকে রিপন তাদের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে বিয়ে করে। জানা গেছে, শীর্ষ জঙ্গি সিদ্দিকুর রহমান বাংলা ভাইয়ের অন্যতম অনুসারী আব্দুল আউয়াল এর ভাগ্নে রিপন।  মামার হাত ধরেই জেএমবিতে যোগ দেয়। রিপন ২০১৯ সালের ২০ জানুয়ারি গাজীপুরের বোর্ড বাজার থেকে গ্রেফতার হয়  র‍্যাবের হাতে। তার বিরুদ্ধে হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি মামলার বৈঠকে অংশ নেয়া ও অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে।

রিপনের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে, উৎসুখ গ্রামবাসীরা রায় শোনার জন্য টেলিভিশন সেটের সামনে বসে আছেন। বাড়িতে রিপনের বড় ভাইয়ের স্ত্রী সাহেরা বেগম ছাড়া কেউ নেই। তিনি জানান, রিপনের মা হাসনা হেনা ও বড় ভাই মাসুদ রানা রায় শোনার জন্য মঙ্গলবার ঢাকায় গেছেন। ভাবী সাহেরা দেবর রিপনের ফাঁসির রায় নিয়ে কোন মন্তব্য করতে চাননি।

গ্রামবাসী আবদুস সাত্তার ও রাজ্জাক সরকার জানান, রিপন ছোটবেলায় খুব শান্ত ও লেখাপড়ায় ভালো ছিল। কিভাবে সে জঙ্গি হলো সে সম্পর্কে তারা বলতে পারেননি। তারা জানান, গ্রামের ছেলে হিসেবে রিপনের বিরুদ্ধে রায় শোনার জন্য বসে আছেন।

অন্যদিকে ওই জঙ্গি হামলায় বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার চুপিনগর ইউনিয়নের বৃ-কুষ্টিয়া গ্রামের কৃষক আবুল হোসেনের ছেলে খায়রুল ইসলাম পায়েল ওধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নের বানিয়াজান গ্রামের কৃষক বদিউজ্জামানের ছেলে শফিকুল ইসলাম উজ্জ্বল  ঢাকায় হলি আর্টিজানে ২০১৬ জুলাই ২ সেনা অভিযানে মারা যায়।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com