বাংলা হেডলাইনস : ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর এ দেশীয় দোসর রাজাকারদের তালিকা প্রকাশ করায় গণফোরাম এবং জাতীয় পার্টি বিষয়টি ইতিবাচক হিসেবে দেখছে কিন্তু বিএনপি মনে করছে দলটিকে ঘায়েল করার জন্য এই তালিকা প্রকাশ।
আজ সোমবার মহান বিজয় দিবসে তিনটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় তাঁদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাজাকারদের তালিকা প্রকাশের ব্যাপারে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে, বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেন যারা এইগুলো জঘন্য অপরাধ করেছে তাদেরকে (রাজাকারদের) চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা করা; কিন্তু আমার কথা হচ্ছে এত দেরি হলো কেন ? ৫০ বছর পরে কেন ? এ সরকারতো ১০ বছর ধরে আছে। এত দিন কি হলো, এই দশ বছরে কেন এটা সম্ভব হলো না?
রাজাকারদের তালিকা প্রকাশের ব্যাপারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন এই সরকার রাজনৈতিক প্রয়োজনে , হীন উদ্দেশ্যে বিভিন্ন তালিকা তৈরি করেছে। বিএনপিকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এই সমস্ত তালিকা তারা প্রকাশ করেছে। ফখরুল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজার প্রাঙ্গণে সোমবার সাংবাদিকদের সাথে কথা বলছিলেন।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে একই বিষয়ে প্রশ্নের উত্তরে বলেন বেকারত্ব মুক্ত দেশ হবে, সন্ত্রাস মুক্ত দেশ হবে, দুর্নীতিমুক্ত দেশ হবে। এই দেশ গড়ার লক্ষে আমরা একসাথে কাজ করবো। একটা সঠিক তালিকা এখানে প্রকাশিত হউক। তার মাধ্যমে দেশে স্বাধীনতা সংগ্রামে কার কি ভুমিকা দেশবাসীর কাছে সুস্পষ্ট ভাবে উঠে আসুক।
মহান বিজয় দিবসের একদিন আগে গতকাল রোববার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রথম পর্যায়ে ১০, ৭৮৯ জন রাজাকারের নামের তালিকা প্রকাশ করেন।