বাংলা হেডলাইনস টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মাটি ভর্তি ড্রাম ট্রাক যাত্রীবাহি সিএনজি চালিত অটোরিক্সা ও প্রাইভেটকারকে ধাক্কা দিয়ে কেড়ে নিলো সিএনজি চালক, বাবা-মেয়ে ও দাদা নাতীসহ ৬ জনের প্রাণ।
সোমবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে উপজেলার গোড়াই-সখিপুর সড়কের বেলতৈল বটতলা নামকস্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের ঘাগড়াই গ্রামের খলিল মিয়ার ছেলে সিএনজি চালক হৃদয় (১৮), কুড়াতলী গ্রামের জহুর উদ্দিনের ছেলে সোনাম উদ্দিন (৬০) ও তার নাতী একই গ্রামের হাশেম আলীর ছেলে আশরাফুল (১০), ঘাগড়াই গ্রামের কিন্ডার গার্টেন শিক্ষক আব্দুল জলিলের ছেলে জাকির হোসেন(৩৫), কুড়াতলী গ্রামের হাফিজ উদ্দিন(৬৫) ও তার মেয়ে রুনু আক্তার(২৫)।
নিহতরা প্রত্যেকেই সিএনজি চালিত অটো রিকসার যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে। আহত কুড়াতলী গ্রামের আনোয়ারকে কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, সোমবার সকালে গোড়াই-সখিপুর আঞ্চলিক সড়কে বাশতৈলগামী মার্টি ভর্তি দ্রুত গতির একটি ড্রাম ট্রাক সামনে থাকা যাত্রীবাহি সিএনজি চালিত অটোরিক্সা ওভারটেক করার সময় সিএনজিকে ধাক্কা দেয় এবং বিপরীত দিক থেকে আসা প্রাইভেটকারের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে সিএনজি ও প্রাইভেটকারটি ধুমড়ে-মুচরে যায়। এ দুর্ঘটনায় সিএনজির চালক হৃদয় ও যাত্রী আশরাফুল ঘটনাস্থলে মারা যায়। আহত সোনাম উদ্দিন, জাকির হোসেন, হাফিজ উদ্দিন ও রুনু আক্তারকে কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়া হয়। এদের মধ্যে হাসপাতালে নেয়ার পথে সোনাম উদ্দিনের মৃত্যু হয়। বাকিদের হাসপাতালে মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে।
প্রাইভেটকারের চালক রাব্বি জানান, ড্রাম ট্রাকের চালক সিএনজিকে ওভারটেক করার সময় ধাক্কা দেয় এবং প্রাইভেটকারের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে।
এ ব্যাপারে মির্জাপুরের দেওহাটা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ড্রাক ট্রাক আটক করা হলেও চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছে।

এছাড়া সিএনজি চালিত অটো রিক্সাটি কুড়াতলী গ্রাম থেকে যাত্রী নিয়ে হাটুভাঙ্গা যাচ্ছিলো বলে তিনি জানান। আইনী প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে।