বাংলা হেডলাইনস বগুড়া : বগুড়ার বিভিন্ন উপজেলায় বৃহস্পতিবার বিকালে বজ্রাঘাতে চার কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
কাহালু উপজেলার এরুইল বাজার, শাজাহানপুরের হরিণ গাড়ি গ্রামে, সারিয়াকান্দির কুড়িপাড়া চরে ও ধুনটের দেওড়িয়া গ্রামে বজ্রাঘাতে চার কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় কাহালুতে আহত তিনজনের মধ্যে একজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিরা এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
মৃতরা হলেন কাহালুর এরুইল গ্রামের মৃত কছিমুদ্দিনের ছেলে মোকলেছার রহমান (৫৫), শাজাহানপুরের হরিণগাড়ি গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে নুরুল ইসলাম (৪০), সারিয়াকান্দির কুড়িপাড়া চরের বুলু মন্ডলের ছেলে লেবু মন্ডল (৩৫) ও ধুনটের দেওড়িয়া গ্রামের দেরাস সরকারের ছেলে আবদুস সালাম (৫৫)।
কাহালু থানার ওসি জিয়া লতিফুল ইসলাম ও সাবেক ইউপি সদস্য আবদুল হাকিম জানান, কাহালু উপজেলার মালঞ্চা ইউনিয়নের এরুইল বাজারের পাশে মাঠে ধান শুকাতে দেয়া হয়। বিকাল সোয়া ৩টার দিকে হঠাৎ বজ্রসহ বৃষ্টিপাত শুরু হয়। তখন কৃষক মোকলেছার রহমান, একই গ্রামের মোহসিনের ছেলে রায়হান আলী (২৮), মৃত আহসান উল্লাহর ছেলে হাসান আলী (৩৫) ও মামুন (৩০) নামে একজন বস্তায় ধান তুলছিলেন।
এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে চারজন আহত হন। এদের উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক মোকলেছারকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের মধ্যে হাসান আলীকে ভর্তি ও অন্য দু’জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
বিকাল ৩টার দিকে শাজাহানপুর উপজেলার হরিণগাড়ি গ্রামের একটি মাঠে কৃষক নুরুল ইসলাম কাজ করছিলেন। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে তিনি গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
একই সময় সারিয়াকান্দির কুড়িরপাড়া চরে বৃষ্টি শুরু হলে কৃষক লেবু মন্ডল গরু আনতে যান। তখন বজ্রাঘাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
কাজলা ইউনিয়নের সদস্য মোহন এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ধুনট থানার ওসি কৃপা সিন্ধু বালা জানান, বৃহস্পতিবার দিনভর বৃষ্টিতে দেওড়িয়া গ্রামে পটলের ক্ষেতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। কৃষক আবদুস সালাম ওই পানি নিষ্কাষণের জন্য বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার দিকে ক্ষেতে যান। এ সময় হঠাৎ বজ্রাঘাতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন।