সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৫ অপরাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
১৯ সেপ্টেম্বর জামায়াতের ঢাকা-রংপুর লংমার্চ ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনঃস্থাপন চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শক্তিশালী গণতন্ত্রের জন্য শক্তিশালী স্থানীয় সরকার জরুরি: রাষ্ট্রপতি ব্রিকসের নয়া দিল্লি ঘোষণায় বহুপক্ষীয়কতাবাদ ও শান্তিতে জোর ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের সপ্তাহে এক ঘণ্টা সময় দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার: চিফ হুইপ ‘প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশ থেকে প্রতিনিধি পাঠানোর সুযোগ নেই’ এসআরবি বিল পাস, বিলুপ্ত র‍্যাব দুদকের অনুসন্ধান নিয়ে প্রশ্ন আসিফ মাহমুদের শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে সরকারের কোনো দ্বিধা নেই:উপদেষ্টা জাহেদ

আদালতে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার বিল- ২০২০ সংসদে পাস

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২০
  • ৩৯০ দেখা হয়েছে
ফাইল ফটো ।

বাংলা হেডলাইনস  :  আদালতে মামলা পরিচালনায় পক্ষগণের ভার্চুয়াল উপস্থিতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষমতা প্রদানের সুনির্দিষ্ট বিধান করে আজ সংসদে আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার বিল, ২০২০ পাস করা হয়েছে।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন।

বিলের সংজ্ঞায় ভার্চুয়াল উপস্থিতি বলতে অডিও- ভিডিও বা অনুরূপ অন্য কোনো ইলেকট্রনিক পদ্ধতির মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির আদালতের বিচার বিভাগীয় কার্যধারায় উপস্থিত থাকা বা অংশগ্রহণ বোঝানো হয়েছে।

বিলে অডিও- ভিডিও বা অনুরূপ অন্য কোনো ইলেকট্রনিক পদ্ধতির মাধ্যমে পক্ষগণ, বা তাদের আইনজীবী বা সংশ্লিষ্ট অন্য ব্যক্তি বা সাক্ষীগণের ভার্চুয়াল উপস্থিতি নিশ্চিতক্রমে যে কোনো মামলার বিচার, বিচারিক অনুসন্ধান বা দরখাস্ত অথবা আপিল শুনানি বা সাক্ষ্যগ্রহণ, বা আদেশ বা রায় প্রদান করতে পারবে বলে বিধান করা হয়।

বিলের বিধানের বিষয়ে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস  রোধকল্পে দেশের সব আদালত ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহে সাধারণ ছুটি ঘোষণাসহ জনসমামগম হয় এধরনের সব কর্মকান্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। এতে জনগণের অনিশ্চিত বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে এ বিধান করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বিশেষ পরিস্থিতি ছাড়া বিদ্যমান বিধান অনুযায়িই বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

বিলে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ বা ক্ষেত্রমত, হাইকোর্ট বিভাগ প্রয়োজন অনুসারে সময় সময় প্রাকটিস নির্দেশনা ( বিশেষ বা সাধারণ) জারি করতে পারবে বলে বিধান করা হয়।

বিলে আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি অধ্যাদেশ ২০১০ রহিত করার বিধান করা হয়্।

জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ, মুজিবুল হক, পীর ফজলুর রহমান, রওশন আরা মান্নান ও শামীম হায়দার পাটোয়ারী এবং বিএনপির হারুনুর রশীদ বিলের ওপর জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনী প্রস্তাব আনলে তা কন্ঠ ভোটে নাকচ হয়ে যায়। সূত্র: বাসস

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com