সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪৩ অপরাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
বিদ্যুৎ-গ্যাস সমস্যা সমাধানে সর্বনিম্ন ২ বছর লাগবে: অর্থমন্ত্রী খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ভাগ্যের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিলেন: মির্জা ফখরুল বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে রিজভী-আমানসহ ৪ নতুন সদস্য তারেক রহমান আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে যেতে পারেন শিপইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত করে ব্যবস্থা: অর্থমন্ত্রী প্রার্থী বাছাইয়ে সচিবালয়ে বিএনপির বৈঠক নিয়ে জামায়াতের প্রশ্ন মির্জা ফখরুল বিএনপির রাষ্ট্রপতি প্রার্থী বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক।। চূড়ান্ত হবে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের মৃত্যুদণ্ড দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এমপিরা ভোট দিতে পারবেন না: চিফ হুইপ

বগুড়ায় মৎস্য অফিসের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত জমি রেকর্ডের অভিযোগ

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২০
  • ২৬০ দেখা হয়েছে

বাংলা হেডলাইনস বগুড়া: বগুড়ার গাবতলী উপজেলা মৎস্য অফিসের দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধে অধিগ্রহণ ছাড়াও প্রায় এক একর জমি রেকর্ড ও ৮০ বছরের ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির খারিজ বাতিলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও মৎস্য কর্মকর্তাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে।

অভিযোগে জানা গেছে, মৎস্য অধিদপ্তর ১৯৮২ সালে গাবতলী উপজেলা পরিষদের দক্ষিণপাশে গাবতলী ও গোড়দহ মৌজার বিভিন্ন দাগে তিন একর তিন শতক জমি অধিদপ্তর অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল করে।

সীমানা প্রাচীর ও তারকাটা দিয়ে জমির চারপাশ ঘেরা হয়। ওই জমিতে গ্রামীণ মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। কয়েকটি পুকুরও খনন করা হয়।

তবে তারা অতিরিক্ত প্রায় এক একর জমি বেশী রেকর্ড ও মাঠ খতিয়ান করে নেয়। কবলা দলিল মূলে বিভিন্ন দাগের ওই জমি গাবতলী পৌরসভার পাইকারপাড়ার নাজিম উদ্দিন পাইকার ও তার পরিবার গত ৮০ বছর ধরে ভোগদখল করে আসছেন।

উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) অফিস থেকে খারিজ ও খাজনা পরিশোধ করেন। এদিকে মৎস্য অধিদপ্তর ৫৬০/৫৬৩/৫৬৫ দাগের ওই জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে দাবি ও খারিজ বাতিলের চেষ্টা শুরু করে।

নাজিম উদ্দিন পাইকার গত ৫ জানুয়ারি বগুড়া জেলা প্রশাসক বরাবর ৫৬৩ সাবেক দাগের সম্পত্তি সংক্রান্ত এলএ কেস নং-২১ জি/৮২ প্রকাশিত গেজেট পূণরীক্ষন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করেন।

আবেদনটি ৭৮ নম্বর ডাইরিভুক্ত হয়। এছাড়াও তিনি (নাজিম) গত ১৭ সেপ্টেম্বর বগুড়ার প্রথম সিনিয়র সহকারি জজ আদালতে তিন লাখ টাকা ডিক্রী পাওয়ার দাবিতে ২৫২ বাটোয়ারা মামলা করেছেন।

বিবাদি করা হয়েছে, জেলা প্রশাসক, গাবতলী উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি), মৎস্য কর্মকর্তা, ভূমি হুকুম দখল কর্মকর্তাসহ ১০ জনকে।

নাজিম উদ্দিন পাইকার জানান, তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা ১৯৪০ সাল থেকে খারিজ ও রেকর্ডমূলে ভোগ দখল করে আসছেন। নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করছেন। তিনি আরো জানান, গাবতলী উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের অধিগ্রহন ও হুকুম দখলকৃত জমি বেহাত হচ্ছে।

স্থানীয় রাসেল, মিলটন, জাকিরুল ইসলাম, একরামুল ইসলাম, আব্দুল হান্নান প্রমুখ প্রভাবশালী জমি দখল করে তা বিক্রি করছেন। ৫৬১ দাগের জমি বিক্রি করা হয়েছে।

সেখানে নির্মাণ করা পাকা ভবনে অফিস করা হয়েছে। কেউ কেউ জমি দখল করে তা নিজেদের নামে রেকর্ড করার পর সেখানে বাড়িঘর নির্মাণ করে বসবাস করছেন।

এ দখলের ব্যাপারে মৎস্য অধিদপ্তর চুপ থাকলেও তারা তার (নাজিম) পৈতৃক জমির খারিজ বাতিলের চেষ্টা করছে। দখল প্রসঙ্গে আব্দুল হান্নান ও জাকিরুল ইসলাম জানান, তাদের বাড়িঘর মৎস্য অধিদপ্তরের হুকুম দখলকৃত দাগের নয়।

এ প্রসঙ্গে গাবতলী উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত দায়িত্বরত কর্মকর্তা আরিফ আহমদ জানান, অধিগ্রহণের চেয়ে কিছু জমি মৎস্য অধিদপ্তরের নামে রেকর্ড হয়েছে; তা সংশোধন করা হচ্ছে।

তিনি দাবি করেন, তাদের জমির সীমানার মধ্য নাজিম উদ্দিনরা বাড়ি নির্মাণ করেছে। দ্রুত জায়গা মাপা হবে। কেউ দখল করে থাকলে প্রশাসনের সহযোগিতায় উচ্ছেদ করা হবে।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com