বাংলা হেডলাইনস সিরাজগঞ্জ: সিরাজগঞ্জে চাঞ্চল্যকর নবনির্বাচিত কাউন্সিলর তরিকুল ইসলাম খান হত্যা মামলায় আইনজীবীসহ আরো ৪ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ঢাকার খিলগাও এলাকা ও সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
তারা হলো, এ মামলার প্রধান আসামির ছোট ভাই ছানোয়ার হোসেন রতন (৪৫), এনামুল হোসেন লিখন (৩৬) ও গোলাম মোস্তফা (৬০)।
এ তিন জন সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার শহীদগঞ্জ ও বেপারীপাড়া মহল্লার বাসিন্দা এবং সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার লাহিড়ি মোহনপুর গ্রামের সাইফুল ইসলাম (৪৫)।
এ নিয়ে এ হত্যাকান্ডে গ্রেপ্তারের সংখ্যা হলো ৬ জন।
শনিবার বিকেলে সিরাজগঞ্জ সদর থানা চত্বরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) স্নিগ্ধা আখতার এ তথ্য জানান।
প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি আরো বলেন, পুলিশ সুপার হাসিবুল আলম’র নির্দেশনায় এ নির্মম হত্যাকান্ডের মামলা বিশেষ গুরুত্ব সহকারে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি দল শুক্রবার বিকেলে ঢাকায় যান।
সন্ধ্যা রাতে ঢাকার খিলগাঁও থানা পুলিশের সহযোগীতায় কাউন্সিলর তরিকুল হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ওই ৩ আসামিকে গ্রেফতার করে সিরাজগঞ্জে আনা হয় এবং এ মামলার সন্দেহভাজন আসামি সাইফুলকে শনিবার সকালে তার এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়।
বিকেলেই তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং ১০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।
এরআগে প্রধান আসামির ভগ্নিপতি স্বপন বেপারী ও মূল হত্যাকারি জাহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। এ মামলার প্রধান আসামিসহ অনান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। শীঘ্রই এ মামলার আরো আসামি গ্রেফতার করা হবে।
গত শনিবার অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনে ৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে বিজয়ী হন কাউন্সিলর প্রার্থী তরিকুল ইসলাম খান (ডালিম প্রতীক)। এ ফলাফল মেনে নিতে না পেরে সন্ধ্যায় পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকরা বিজয়ী কাউন্সিলর তরিকুলকে ছুরিকাঘাতে খুন করা হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে ওসি বাহাউদ্দিন ফারুকী, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর তরিকুল ইসলাম, এসআই সাইফুল ইসলাম, এসআই জাফর, অনান্য কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।