বাংলা হেডলাইনস রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহী অঞ্চলে প্রি-পেইড বৈদ্যুতিক মিটার বসানোর কাজ শুরু করেছে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (নেসকো)। এর প্রতিবাদে নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে। এই প্রি-পেইড মিটার নিয়ে ফুঁসে উঠেছেন রাজশাহীবাসী।
রাজশাহী মহানগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে গণশুনানির আগে প্রি-পেইড মিটার না লাগানোর জন্য নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেডের (নেসকো) প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
আজ রোববার সামাজিক সংগঠন রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের এক বিক্ষোভ-সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়।
এ মিটার না লাগানোর জন্য সংগঠনটি ১৫ দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছিল। নেসকো কর্নপাত না করার প্রতিবাদে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
আজ বেলা ১১টার দিকে রাজশাহী মহানগরের জাদুঘর মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে হেতেমখাঁ এলাকায় নেসকো কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এরপর সেখানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, রাজশাহী অঞ্চলে আগে গ্রাহকদের বাড়িতে এনালগ বৈদ্যুতিক মিটার ছিল। সেই মিটার সরিয়ে ডিজিটাল মিটার বসানো হয়েছে। এখন আবার ডিজিটাল মিটার ফেলে দিয়ে প্রি-পেইড মিটার বসানো হচ্ছে। অথচ রাজশাহীতে কোনো গ্রাহকের বিল বকেয়া নেই।
কিন্তু সচল মিটার ফেলে প্রি-পেইড মিটার লাগানো হচ্ছে। এটি জনগণের পকেট কাটার একটি ফন্দি। এ মিটার জনগণের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। এটা তারা বাস্তবায়ন হতে দেবেন না। গণশুনানির আগে প্রি-পেইড মিটার বসাতে গেলে কোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটলে তার জন্য দায়ী থাকবে নেসকো।
বক্তারা বলেন, নেসকো বলছে প্রি-পেইড মিটার দেওয়া হচ্ছে বিনামূল্যে। কিন্তু তা সঠিক নয়। মিটারের মূল্য গ্রাহকের কাছ থেকেই কেটে নেওয়া হবে।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি মো. লিয়াকত আলী।
বক্তব্য দেন- মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, ওয়ার্কার্স পার্টির রাজশাহী মহানগরের সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ প্রামাণিক দেবু, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন, রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. জামাত খান ,বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. আবদুল মান্নান, রাজশাহী চেম্বারের সাবেক পরিচালক হারুনার রশিদ প্রমুখ।