বাংলা হেডলাইনস সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার গ্রামপাঙ্গাসী গ্রামে হাঁসের খামার গড়ে তুলে স্বাবলম্বী হয়েছে বেকার ৩ যুবক।
চেষ্টায় সাফল্য আর এ সাফল্য বাস্তবায়ন করেছে ওই গ্রামের রিমন, রুমন ও তন্ময়। তারা অন্যদের মাঝেও এ সাফল্যর প্রেরণা জুগিয়েছে। সেইসাথে পাল্টে যাচ্ছে তাদের আর্থিক সংকটের জীবন।
জানা যায়, ওই গ্রামের ৩ যুবকের জমানো সামান্য পুঁজি দিয়ে দেশীয় উন্নত জাতের হাঁস পালন শুরু করে।
প্রথমে তারা খামারে ৩০/৩২টি হাঁস পালন শুরু করে। স্বল্প পুঁজির এ খামারে তারা লাভের মুখ দেখতে পায়। এ লাভ ধরে রাখতে অনেকের সহযোগিতাও নেয় তারা।
খামারে হাঁস পালনে তাদের ভাগ্য খুলে যায়।
ওই ৩ যুবক সাংবাদিকদের বলছেন, বেকার জীবনের কষ্টটা অসহ্য। এ কষ্ট সহ্য করতে না পেরে অবশেষে এ হাঁসের খামার গড়ে তোলা হয়। এতে সাফল্য পেতে ব্যাপক চেষ্টা চালানো হয়। এ চেষ্টায় ১০ মাসের মধ্যেই স্বাবলম্বী হয়ে ভাগ্য খুলে যায়। খামার খরচ বাদে এখন লাভের সংখ্যা গুনছি। বর্তমানে খামারে বিভিন্ন জাতের সহস্রাধিক হাঁস রয়েছে।
তবে করোনা ভাইরাসের কারণে হাঁসের ভ্যাকসিন, খাদ্যের দামসহ অন্যান্য জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাওয়ায় অনেকটা পুঁজি হারানোর আশংকা করা হচ্ছে।
এজন্য সরকারের কাছে করোনাকালিন আর্থিক সহযোগিতারও আবেদন করা হয়।
উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তারা বলছেন, ওই ৩ যুবকের হাঁসের খামার দেখেছি। তারা এ খামার করে এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। অনেক বেকার যুবক তাদের খামার দেখে উদ্ভুদ্ধ হচ্ছে। স্বল্প পুঁজি নিয়ে গ্রামের তিন যুবক যেভাবে এগিয়ে এসেছে তেমনি ভাবে অন্য বেকার যুবকরাও যদি এগিয়ে আসে তাহলে দেশে আমিষের অভাব কেটে যাবে। সেইসাথে দারিদ্রতাও কমে যাবে। তাদের সহযোগিতা করা হবে বলে কর্মকর্তারা উল্লেখ করেন।