সাজ্জাদুল তুহিন, বাংলা হেডলাইনস নওগাঁ: নওগাঁর মান্দা উপজেলার বুক চিরে বয়ে গেছে আত্রাই নদী।
আর এই নদীর উপরে উপজেলা সংলগ্ন প্রসাদপুর খেয়া ঘাটে একটি মাত্র স্থায়ী ব্রিজ না থাকায় গ্রামের মানুষদের উপজেলায় আসতে দুর্ভোগ পোহাতে হয় বছরজুড়ে।
উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য প্রসাদপুর খেয়া ঘাটে স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণের দাবি দীর্ঘ দিনের তবে বারবার মাপজোখ হলেও কবে নাগাদ ব্রিজ নির্মাণের কাজ শুরু হবে তা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সাধারণ মানুষের মধ্যে।
তবে প্রতি বছর খেয়া ঘাট মালিকদের নিজ উদ্যোগে শুকনো মৌসুমে তৈরি হয় নড়বড়ে বাঁশ-কাঠের সেতু যা ভারী যানবাহন চলাচলে অক্ষম। এই সেতুটি থাকে বর্ষা মৌসুম অর্থাৎ নদী ভরা পর্যন্ত।
শুকনো মৌসুমে হেঁটে, মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেল নিয়ে পারাপারের কিছুটা সুবিধা হলেও বর্ষার ভরা মৌসুমে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয় দুই পারের মানুষসহ ছোটছোট শিক্ষার্থীদের নদী ভরা মৌসুমে নৌকা আর শুকনো মৌসুমে বাঁশ-কাঠের সেতুই পারাপারের একমাত্র ভরসা।
গ্রামবাসীদের দাবি প্রসাদপুর খেয়া ঘাটে দ্রত স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণের। যাতে বর্ষায় ভরা মৌসুমে ঝুঁকি নিয়ে আর পারাপার হতে না হয়। ভরা মৌসুমে বাচ্চাদের ঝুঁকি নিয়েই স্কুলে পাঠাতে হয় এতে দুশ্চিন্তায় থাকেন অভিভাবকরা।
নদীর ওপারে একজন অভিভাবক বাচ্চু জানান, নদীর ভরা মৌসুমে যদি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার না হয় বাচ্চারা তাহলে ৬-৭ কি:মি ঘুরে উপজেলায় যেতে হবে।
কসব ইউনিয়ন থেকে কাজের জন্য উপজেলায় আসা গোলাম মোস্তফা বলেন, স্থায়ী ব্রিজ না থাকায় উপজেলায় আসতে আমাদের অনেক সমস্যা, বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে খুব সমস্যা হয়।
এই ব্রিজটি হলে উপজেলা সদরের সঙ্গে সহজেই যোগাযোগ করতে পারবে কয়েকটি ইউনিয়নের মানুষ।
প্রসাদপুর খেয়া ঘাটে স্থায়ী ব্রিজ বিষয়ে জানতে চাইলে মান্দা উপজেলা প্রকৌশলী মার্শেদুল হাসান বলেন, ব্রিজটি নি্মাণের জন্য সয়েল টেস্ট হয়ে গেছে। কাজটি দ্রুত করার লক্ষে প্রকল্প পরিচালক স্থান পরিদর্শন করে বিস্তারিত প্রতিবেদন নিয়ে গেছে, আশা করি এই অর্থ বছরের মধ্যেই সার্বিক কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে।