বাংলা হেডলাইনস বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ার শেরপুরে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক ও সুপারভাইজারসহ চারজন নিহত এবং নয়জন আহত হয়েছেন।
গতকাল শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলার গাড়ীদহ ইউনিয়নের দশমাইল এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুর্ঘটনা কবলিত বাসটি দু’টি মহাসড়কের উপর থাকায় প্রায় দু’কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ঘন্টাব্যাপী ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।
হাইওয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও মেডিকেল ফাঁড়ি পুলিশ এ তথ্য দিয়েছে।
নিহতদের দু’জন হলো রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার কারফিখাল এলাকার রাজার মিয়ার ছেলে বাসের চালক রওশন হাবিব (৩৫) ও সুপারভাইজার মাসুদ মিয়া (২৭)।
তাৎক্ষণিকভাবে নিহত অপর দু’জনের নাম, পরিচয় পাওয়া যায়নি।
শেরপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার রতন হোসেন ও অন্যরা জানান, রংপুর ছেড়ে আসা ঢাকাগামী নাবিল পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্টো-ব-১৪-৫৫২২) শুক্রবার রাত ২টার দিকে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার গাড়ীদহ এলাকায় মহাসড়কে পৌঁছে।
এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা বগুড়াগামী দৃষ্টি পরিবহণের একটি বাসের (ঢাকা মেট্টো-ব-১৪-৬১৪৪) চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দৃষ্টি পরিবহণের চালক হাবিব ও সুপারভাইজার মাসুদ নিহত এবং দুটি বাসের ১১ যাত্রী আহত হন। তাদের উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বগুড়া সিলিমপুর মেডিকেল ফাঁড়ির এসআই আবদুল আজিজ মন্ডল জানান, আহতদের ভর্তির পর শনিবার সকালে দু’জন মারা যান। বর্তমানে আরো নয়জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এদের কয়েকজন হলেন, রনি (২০), ফরিদুল ইসলাম (২২), আল আমিন (১৯), ফজলু মিয়া (৫০), আজাদুল ইসলাম (৩০) ও সিরাজুল ইসলাম (৩৫)।
হাইওয়ে পুলিশ শেরপুর ক্যাম্পের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর বানিউল আলম জানান, দুর্ঘটনা কবলিত বাসটি দুটি জব্দ করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর কিছু সময়ের জন্য মহাসড়কে যান চলাচল বিঘ্নিত হয়।